আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন মাল ব্লক, ভোগান্তিতে রাজার চা বাগানের কেশর লাইনের বাসিন্দারা

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

বর্ষার শুরুতেই টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ল জলপাইগুড়ি জেলার মাল ব্লকের একাধিক এলাকা। বিশেষ করে নিউ মাল থেকে মালবাজারগামী জাতীয় সড়কের ধারে রাজার চা বাগানের কেশর লাইনে জল জমে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চা বাগানের মাঠ, শ্রমিক লাইন এবং জাতীয় সড়কের একাংশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজার চা বাগানের কাছে বর্তমানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। সেই কারণে অস্থায়ী ডাইভারশন তৈরি করে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরই মধ্যে গত কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঝোরা ও নালাগুলিতে জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে অতিরিক্ত জল স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশন হতে না পেরে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগ, সেতু নির্মাণকাজের জন্য তৈরি ডাইভারশন এবং অপর্যাপ্ত জলনিকাশি ব্যবস্থার কারণেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। জমে থাকা জল ধীরে ধীরে রাজার চা বাগানের কেশর লাইন, মাঠ এবং সংলগ্ন এলাকায় প্রবেশ করে। পাশাপাশি জাতীয় সড়কের একাংশও জলমগ্ন হয়ে পড়ায় যানবাহন চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্ষার আগে নির্মাণকাজ সংলগ্ন এলাকায় যথাযথ জলনিকাশি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।

তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সমস্যার আশঙ্কার কথা জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এলাকার বাসিন্দারা জানান, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। জল বাড়তে থাকলে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলির দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। ইতিমধ্যেই বহু পরিবার আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।


ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজরদারি শুরু করেছে। তবে দ্রুত জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ী সমাধানের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় মানুষ। তাঁদের আশা, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সমস্যার সমাধান করবে।

See also  ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মন্তেশ্বরের বিভিন্ন এলাকা সহ মাঝেরগ্রামের দুইটি চালকল।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি