সুমন্ত দাস, কৃষকসেতু : ঘুম ভাঙতেই উধাও চিরচেনা চড়া রোদ। আজ সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মেঘে ঢাকা। চারিদিকে কালো মেঘের ঘনঘটা। বেলা বাড়লেও কাটেনি অন্ধকারের ভাব। মেঘের আড়ালেই মুখ লুকিয়ে রেখেছে সূর্য। মাঝে মাঝেই বইছে ঠান্ডা ঝোড়ো হাওয়া। যেকোনো মুহূর্তে নামতে পারে ভারী বৃষ্টি।গত কয়েকদিনের একটানা গুমোট গরম এবং অসহ্য আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থেকে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। মেঘলা আবহাওয়া আর ঠান্ডা হাওয়া জনজীবনে বড়সড় স্বস্তি এনে দিয়েছে।

তবে স্বস্তির পাশাপাশি সকালের ব্যস্ত সময়ে ঘর থেকে বের হওয়া নিত্যযাত্রীদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। অফিস ও স্কুল-কলেজগামীদের ছাতা এবং রেইনকোট সঙ্গে নিয়ে বের হতে হচ্ছে। এদিকে নিচু এলাকাগুলোতে জল জমার আশঙ্কায় তৈরি হয়েছে বাড়তি উদ্বেগ। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কারণেই আবহাওয়ার এই আকস্মিক পরিবর্তন। আজ সারাদিন আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষ করে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে ঝড়ের বেগ কিছুটা বেশি থাকতে পারে। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে। তবে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮০ শতাংশের উপরে থাকায় বৃষ্টি না হলে কিছুটা ভ্যাপসা গরম বজায় থাকতে পারে।










