পুরনো পার্টি করা এবং ছবির প্রচারের নানা ভিডিয়ো সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরে কটাক্ষ করার জবাব দিলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। স্পষ্ট ভাষায় কঙ্গনা জানালেন, নিজের মানসিকতা এবং চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করার সম্পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করা একটি ভিডিয়োতে তিনি বলেন, এক জন সচেতন হিন্দু হয়ে ওঠার স্বাধীনতা দেশের সংবিধান তাঁকেও দিয়েছে।

কঙ্গনা জানান, মানুষ যেমন যেকোনও ধর্ম বা আদর্শ বেছে নিতে পারেন, তেমনই তাঁরও নিজের পথ বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে তাঁকে কটাক্ষ করে প্রশ্ন করেন যে তিনি কবে থেকে ‘সংঘী’ হলেন? এর উত্তরে কঙ্গনা জানান, তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং বিজেপির আদর্শে রূপান্তরিত হতে চান। তাঁর প্রশ্ন, সমাজ যদি অন্যদের পরিবর্তন মেনে নিতে পারে, তবে তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন প্রশ্ন তোলা হবে?
নিজের অতীতের কাজ নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দিতে চান না বলে জানান এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “আজ আমি নিজের সমর্থনে কিছু বলব না। আমি বলব না যে আমি একসময় আইটেম নম্বরের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, সমান পারিশ্রমিকের দাবি তুলেছি, বড় বড় তারকা বা স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। হ্যাঁ, আমি একসময় সাধারণ একজন হিন্দু ছিলাম। কিন্তু আজ আমি এক জন সচেতন হিন্দু হতে চাই, রূপান্তরিত হতে চাই। আমি কেন তা পারব না”? সমাজকে তোপ দেগে কঙ্গনা আরও বলেন, যখন হিন্দু মেয়েদের বিষয় আসে, তখন সমাজের কিছু লোক দশ বছর পুরনো ভিডিয়ো বের করে অগ্নিপরীক্ষা নিতে শুরু করে।
তারা বলে— ‘তুমি তো আগে পার্টি করতে, এটা করতে, ওটা করতে’। কঙ্গনার জবাব, “ঠিক আছে, আমি আগে সবকিছুই করতাম। কিন্তু আজ আমি এক জন সচেতন ও পারফেক্ট হিন্দু হতে চাই। আমার জন্য সেই রাস্তা কেন বন্ধ থাকবে? এই দ্বিমুখী আচরণ আর চলবে না”।











