আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

পঞ্চায়েত মন্ত্রীর করা সৃষ্টিশ্রী মেলার উদ্বোধনে গরহাজির পূর্ব বর্ধমানের সিংহভাগ বিধায়ক ও জেলাপরিষদের কর্মকর্তারা

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- রাজ্যের মধ্যে প্রথম পূর্ব বর্ধমান জেলায় শুর হল ’সৃষ্টিশ্রী’ মেলা । বর্ধমান টাউনহলে অনুষ্টিত এই মেলার শুক্রবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের গ্রাম উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।তিনদিনের ’সৃষ্টিশ্রী’ মেলার আয়োজক জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন সেল হলেও এদিন মেলার উদ্বেধন অনুষ্ঠানে জেলার সিংহভাগ বিধায়ক,জেলা পরিষদ সভাধিপতি,সহসভাধিপতি ও কর্মাধ্যক্ষরা গরহাজির থাকেন ।কেন তাঁরা গরহাজির তার কারণ এদিন পঞ্চায়েত মন্ত্রীর কাছেও অজানা রয়ে থাকে ।

জেলাপরিষদ সূত্রে জানাগেছে, কাগজে কলমে ’সৃষ্টিশ্রী ’মেলার আয়োজন,টেণ্ডার সবই করেছে জেলাপরিষদ।কিন্তু বাস্তবে জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জেলা পরিষদকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই নিজে মেলার সব আয়োজন করছেন।মেলার আমন্ত্রণ পত্রে
জেলার ১৬ জন বিধায়কদের মধ্যে কেবল মাত্র দু’জন বিধায়ক খোকন দাস ও নিশীথ মালিকের নাম রয়েছে।অথচ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম নেই আমন্ত্রণ পত্রে নেই ।একই ভাবে আমন্ত্রণ পত্রে ব্রাত্য জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষরাও ।

শুধুমাত্র জেলা পরিষদের নারী কল্যান ও শিশু দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝির নাম আমন্ত্রণ পত্রে রয়েছে ।মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন,
তিনদিনের মেলায় হস্তশিল্পের শিল্পীরা তাঁদের বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে বিকিকিনি করবেন।জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে হস্তশিল্পরা মেলায় উপস্থিত হয়েছেন।জেলাপরিষদের সভাধিপতি ,সহ-সভাধিপতি ও জেলার অনেক বিধায়কের মেলায় গরহাজির থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন কেন তাঁরা আসেন নি তা তাঁর জানা নেই। বৃহস্পতিবার জেলাপরিষদে আমন্ত্রপত্র পৌছে যাবার পরেও মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গরহাজির থাকার কারণ জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়ার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

See also  ধর্ষণসহ একাধিক অভিযোগে তলব কার্তিক মহারাজকে, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি