আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

একাংশ নিস্ক্রিয় পুলিশ – প্রশাসন কে ‘সক্রিয়’ করছে লোকায়ুক্ত

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

মোল্লা জসিমউদ্দিন:- বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়ে কোন সুরাহা মেলেনি। বিচার পেতে গেলে থানা থেকে কোর্ট।।সেখানেও দীর্ঘ সময়,হয়রানি সহ আইনজীবীদের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়।ঠিক এই রকম পরিস্থিতি সাধারণ অভিযোগকারীদের কাছে হাসি ফোটাচ্ছে কলকাতা হাইকোর্ট সংলগ্ন লোকায়ুক্ত দপ্তর। বর্তমানে যিনি লোকায়ুক্ত রয়েছেন।তিনি একাধারে যেমন নিম্ন আদালতে জেলাবিচারক হিসাবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল থেকে বিচারপতি পদ সামলেছেন।

অবসরের পর ওয়েস্ট বেঙ্গল রিয়েল এস্টেট আপিলেট ট্রাইবুনালের চেয়ারপার্সন পদে থেকে অসংখ্য বিবাদমান মামলার নিস্পত্তি ঘটিয়েছেন। জানা গেছে রাজ্যের লোকায়ুক্ত দপ্তরে ২০০৮ থেকে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অভিযোগ পেন্ডিং ছিল ১৩২ টি। লোকায়ুক্ত বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করেন ৮৪ টি। অভিযোগ নিস্পত্তিতে সাফল্যের হার ৬০% বেশি।অতীতে লোকায়ুক্ত দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোন সুফল মিলতো না বলে অভিযোগকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন।

বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত লোকায়ুক্ত হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি। মাত্র ৮ মাসেই যেভাবে একের পর এক অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুলিশ কমিশনার, আইজি,ডিআইজি, এসপি, জেলাশাসক ও অন্যান্য পদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছ থেকে দ্রুত রিপোর্ট তলব করছেন লোকায়ুক্ত বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত।তাতে বহু ক্ষেত্রেই রিপোর্ট পাঠানোর আগেই অভিযোগকারীর অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি