আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

শারদোৎসবের আগেই এক নয়া ইতিহাস তৈরি হল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। শুক্রবার শুক্লপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা দেবী মায়ের গর্ভগৃহে পৌছে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারী। করলেন আরতি। দেবীর সামনে মাথা নত করে চাইলেন আশীর্বাদ।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই প্রথম শুভেন্দু অধিকারী সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে এলেন।তাই তাঁর আগমন উপলক্ষে বিশেষ ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল মন্দির চত্ত্বর। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এদিন বর্ধমানের রাস্তায় ও মন্দির চত্ত্বরে অগুনিত মানুষ ভিড় জমিয়ে ছিলেন।

এদিন বেলা বারোটর কিছু সমর পর হেলিকপ্টারে চেপে বর্ধমানে পৌছান মুখ্যমন্ত্রী।তাঁর প্রথম বর্ধমানের পুলিশ লাইন মাঠে প্রশাসনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল।কিন্তু তা না করে তিনি বর্ধমানের শক্তিগড়ের তৈরি হওয়া অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নেমেই সটান চলে যান সর্বমঙ্গলা দেবীর মন্দিরে। পুজারি অরুণ কুমার ভট্টাচার্য্যর সঙ্গে তিনি মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন । তাঁর সঙ্গে মন্দিরে উপস্থিথ থাকেন বর্ধমান দক্ষিনের বিধায়ক তাথা রাজ্যের মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এবং আপর মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তারাও পুজোতে অংশ নেন।

গর্ভগৃহের মেঝেতে বসে পুজারী অরুণ কুমার ভট্টাচার্য্যর সহযোগীতা নিয়ে দেবীর চরণে তিনি পুষ্পার্ঘ নিবেদন করেন। এরপর মন্ত্রেচ্চারণের মধ্যদিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুজো নিবেদন করেন। তার পর তিনি করেন আরতি। পুজো শেষে মাথা নত করে দেবী মাকে প্রণাম জানিয়ে তিনি গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে আসেন। মুখ্যমন্ত্রী জন্য মন্দিরে ভোগ অন্নের আয়োজন রাখা থাকলেও একাধীক কর্মসূচীতে যোগ দেওয়ার ব্যস্ততা থাকায় তিনি ভোগঅন্ন গ্রহন করতে পারেন না। মন্দির প্রঙ্গন থেকে গাড়িতে চেপে তিনি পুলিশ লাইন মাটে চলে গিয়ে প্রশাসনিক সভায় যৌগ দেন।

পুজারি অরুণ ভট্টাচার্য্য বলেন!মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ভক্তি ভরে সর্বমঙ্গলা দেবীর কছে পুজো নিবেদন করেছেন। শুভেন্দু অধীকারিই বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী যিনি সর্বমঙ্গলা দেবী মায়ের কাছে এসে পুজো নিবেদন করলেন। তাই এক নয়া ইতিহাস এদিন বর্ধমানর সর্বমঙ্গলা মন্দিরে তৈরি হল বলে পুজারি জানান ।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি