আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

পরীক্ষার দিন আচমকা স্কুলে মৃত্যু ঘটলো অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রের সোনারপুরে

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, সোনারপুর : পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল এক কিশোর প্রাণ সোনারপুরে। মাত্র ১৪ বছর বয়স। অষ্টম শ্রেণির ছাত্র পৃথ্বিরাজ হালদার।বুধবার সকালটা ছিল তার পরীক্ষার দিন। প্রতিদিনের মতোই সকাল ৮টায় বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে।

কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা, যা স্তব্ধ করে দিয়েছে পরিবার ও পুরো এলাকাবাসীকে।আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোনারপুর থানার সুভাষগ্রাম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,এদিন সকাল ৮টা ৪৮ মিনিট নাগাদ একটি ফোন আসে বাড়িতে। হঠাৎ খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ছুটে যান। তড়িঘড়ি করে পৃথ্বিরাজকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঠিক কীভাবে তার শারীরিক অবনতি হল,তা এখনও স্পষ্ট নয়।

স্বাভাবিক অসুস্থতা নাকি অন্য কোনও কারণ—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।পৃথ্বিরাজ ছোটবেলা থেকেই একই স্কুলে পড়াশোনা করতো। নার্সারি থেকে শুরু করে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সে ছিল বেসরকারি দি সামমিট স্কুলের ছাত্র। স্কুলে সে শান্ত স্বভাবের ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিল বলে জানা গিয়েছে।মৃত ছাত্রের বাবা রাজকুমার হালদার পেশায় ব্যবসায়ী।

তিন ছেলের মধ্যে পৃথ্বিরাজই ছিল সবচেয়ে ছোট। হঠাৎ করে ছোট ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। তাঁর অভিযোগ, ঘটনার পর স্কুলের পক্ষ থেকে কোনও রকম সহযোগিতা করা হয়নি। কী পরিস্থিতিতে পৃথ্বিরাজ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ ঠিক কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

আর এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে পরীক্ষার দিন সকালে ঠিক কী ঘটেছিল, কেন এত দ্রুত পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠলো এই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন ও অজানা। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দাবি উঠতে শুরু করেছে।ইতিমধ্যে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সোনারপুর থানা ও সোনারপুর থানার পুলিশ।

See also  পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ কৈয়ড় অঞ্চলে কৈয়ড় গ্রামে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হলো।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি