আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

বিজেপি কর্মীকে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা বামদেব মণ্ডল, ধৃত আরও এক সহযোগী

krishna Saha

Published :

Trinamool leader Bamdeb Mondal
WhatsApp Channel Join Now

কৃষকসেতু নিউজ বাংলা বিজেপির এক মহিলা কর্মীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের রায়না এলাকায় তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা বামদেব মণ্ডল এবং তাঁর সহযোগী নিজামুদ্দিন শেখ ওরফে কাজলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শ্লীলতাহানি, চাঁদাবাজি, ভয় দেখানো এবং অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে রায়নার জাকতা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার তাঁদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। অভিযোগকারী মহিলা, যিনি নিজেকে বিজেপির কর্মী বলে দাবি করেছেন, জানান যে চলতি বছরের ১০ মার্চ কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান বামদেব মণ্ডল। অভিযোগ, ওই সময় তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয় এবং টাকা দিতে না পারায় তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়া এবং বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ারও ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ। মহিলার দাবি, রাজনৈতিক কারণে অতীতেও তিনি একই ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন।

এই ঘটনায় বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমার এসডিপিও অভিষেক মণ্ডল জানান, মহিলার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রায়না থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রায়নার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপি বিধায়ক সুভাষ পাত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হত এবং এই গ্রেপ্তারিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। দলের নেতা দেবু টুডুর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে এবং এই ঘটনাও তারই অংশ। পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

See also  বিধায়ক এর উদ্যোগে ৫০০ টি ফলের গাছ রোপন করে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি