আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

গাংপুরে প্রচার ঘিরে বিজেপি–তৃণমূল সংঘর্ষের অভিযোগ! বাড়ি বাড়ি ‘প্রধানমন্ত্রীর চিঠি’ বিতরণে বাধা, পাল্টা তৃণমূলের কটাক্ষে তীব্র রাজনৈতিক তরজা

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

বর্ধমান উত্তর বিধানসভার গাংপুর স্টেশন সংলগ্ন দীঘির পাড় এলাকায় বাড়ি বাড়ি ‘প্রধানমন্ত্রীর চিঠি’ পৌঁছে দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ তুলল বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা প্রচারে নামলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা অভিযোগ করে বলেন , তাঁদের মাত্র ছয়জন কর্মী প্রচারে অংশ নিলেও তা ঠেকাতে তৃণমূল কংগ্রেস শতাধিক বহিরাগত লোক জড়ো করে বাধা সৃষ্টি করে। তাঁর দাবি, “স্থানীয় মানুষ ব্যাপক সাড়া দিচ্ছিলেন বলেই তৃণমূল ভয় পেয়ে বাইরে থেকে লোক এনে প্রচার বন্ধের চেষ্টা করে। কিন্তু সেই বাধা আমরা প্রতিরোধ করে প্রচার চালিয়ে যাই”।

অভিযোগের সুর আরও চড়িয়ে তিনি বলেন, তৃণমূল কর্মীরা মহিলাদের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন, গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করেন এবং বিজেপির জেলা সম্পাদিকা পায়েল রায়ের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা হয়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় তৃণমূল এই ধরনের আচরণ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “গায়ের জোরে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। মানুষই শেষ কথা বলবে”।

অন্যদিকে, কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ মহম্মদ অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, “বিজেপি সারা বছর এলাকায় থাকে না। মানুষ তাঁদের খুঁজে পায় না। ভোটের মুখে হঠাৎ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাটক শুরু করে। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ এতে বিরক্ত। কোথাও বহিরাগত আনার প্রশ্নই ওঠে না। বরং এলাকার মানুষই তাদের প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন”।
আরও কড়া ভাষায় তিনি বলেন, “যে দল সারা বছর মানুষের পাশে থাকে না, উন্নয়নের কাজ করে না, শুধু নির্বাচনের আগে বিভাজনের রাজনীতি করে, তাদের মানুষ গ্রহণ করবে কেন? বাংলার মানুষ সচেতন। বাইরের নির্দেশে চলা রাজনীতি এখানে সফল হবে না।

বিজেপি এখন বুঝতে পারছে, বাংলার মাটি তাদের জন্য নয়। তাই মিথ্যা অভিযোগ তুলে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে”। তিনি দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে “মা-মাটি-মানুষের জয় নিশ্চিত” এবং তৃণমূল কংগ্রেসই বিপুল সমর্থন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে। তাঁর বক্তব্য, “ভোটের সময় মানুষই জবাব দেবে। উন্নয়নের পক্ষে, শান্তির পক্ষে এবং সম্প্রীতির পক্ষে মানুষ রায় দেবে”।
গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে।

See also  মাধবডিহির আলমপুরে নৃশংস ভাবে খুন তৃণমূল কর্মী । আটক এক সন্দেহভাজন ।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি