আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

হোটেলের স্টোর রুম থেকে উদ্ধার আটদিন নিখোঁজ থাকা নাবালকের পচা গলা দেহ

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ২৩ জানুয়ারি 


হোটেলের  স্টোর রুম থেকে উদ্ধার হল আট দিন নিখোঁজ থাকা নাবালকের পচাগলা মৃতদেহ।  এই ঘটনা জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার  ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের  নাদনঘাট থানার তুলসীডাঙ্গা গ্রামে । মৃতর নাম রাকেশ মোদক  (১৬)।  তাঁর বাড়ি 

নাদনঘাটের ভাতশালা গ্রামে । হোটেলের লোকজনই রাকেশকে খুন করেছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন মৃতর পরিবার ।  তদন্তে নেমে নাদনঘাট থানার পুলিশ হোটেল মালিক পবন দেবনাথ ও তাঁর সহযোগী নিতাই রায়কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে । 

 পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানাগেছে , দিন দরিদ্র পরিবারের নাবালক ছেলে রাকেশ গত কুড়ি দিন আগে হোটেলে কাজে যোগ দেয় । 

গত ১৪ জানুয়ারি থেকে রাকেশ আর বাড়ি ফেরেনি ।  পরিবারের লোকজন  কোথাও তার   খোঁজ না পেয়ে নাদনঘাট ও পূর্বস্থলী থানার দ্বারস্থ হয় । মৃতর অত্মীয়রা  বলেন,

পুলিশ রাকেশ কে উদ্ধারের বিষয়ে কোন হেলদোল দেখায়নি । তারই মধ্যে এদিন দুপুরে  ওই হোটেল থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরহলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয় । নাদনঘাট থানার পুলিশ  ওই হেটেলের বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালানো শুরু করে ।  তল্লাশি চালানোর  সময়ে হোটেলের স্টোররুম  থেকে উদ্ধার হয়  নাবালকের পচাগলা মৃতদেহ । মৃতর মা রিঙ্কু মোদক ও বাবা বিকাশ মোদক তাঁদের ছেলের  মৃত্যুর জন্য হোটেল মালিক ও তাঁর সহযোগীদের দিকেই অভিযোগের আঙুল তোলেন । হোটেল মালিক ও তার সহযোগীরা  মিলে রাকেশকে খুন করে হোটেলের ঘরে দেহ লুকিয়ে রেখেছিল  বলে মৃতর বাবা পুলিশের 

কাছে অভিযোগ করেন  । 

এই অভিযোগ পেয়েই পুলিশ হোটেল মালিক পবন দেবনাথ ও তার সহযোগী নিতাই রায়কে আটক করে । এলাকাবাসী পুলিশকে অভিযোগে  বলেন , রাতে এই হোটেল কাম রেস্টুরেন্টে  অসাধু 

ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ।

 ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে নাবালকের মৃত্যুর কারন জানাযাবে । হোটেলের  দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে । 

 


krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি