অন্ডাল:- কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতায় ফের উত্তপ্ত খনি অঞ্চল। বুধবার ভোরে অন্ডালের সিএল জামবাদ এলাকায় দিলীপ তুরি নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকেরা হানা দিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। সকাল হতেই একাধিক গাড়িতে তদন্তকারী দলের পৌঁছনো এবং সঙ্গে পুলিশ-প্রশাসনের উপস্থিতি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।ভোরে সিআরপিএফ-সহ তদন্তকারী দলের অভিযান, ঘিরে চাঞ্চল্য — কেন তল্লাশি, স্পষ্ট নয় এখনও।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, দিলীপ জাতীয় কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা ও একটি এনজিওর সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি ইসিএলের বিভিন্ন কোলিয়ারি এবং খোলামুখ খনিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও অন্যান্য চার চাকার গাড়ি টেন্ডারের মাধ্যমে চালানোর কাজের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে বলে জানা যায়। সূত্রের আরও দাবি, ঝাড়খণ্ড থেকে অ্যাম্বুল্যান্স এনে ইসিএলের বিভিন্ন এলাকায় টেন্ডারের মাধ্যমে পরিষেবা দেওয়া হত। তবে ঠিক কোন মামলার তদন্তে বা কী কারণে দিলীপের বাড়িতে ইডির এই অভিযান, সে বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার তরফে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযানের নেপথ্যে কী রয়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা।
এদিন ভোরেই একাধিক বড় গাড়ি নিয়ে তদন্তকারী দল এলাকায় পৌঁছতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ির আশপাশে ভিড় জমতে শুরু করে। যদিও তল্লাশিতে কী কী নথি বা সামগ্রী মিলেছে, কিংবা কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য সামনে আসেনি। খনি অঞ্চলে ইসিএলের বিভিন্ন পরিষেবা ও টেন্ডার-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে দিলীপের যোগ থাকার বিষয়টি সামনে আসায় তদন্তের সম্ভাব্য সূত্র নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ইডির অভিযান মানেই কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত—এমন নয়। তদন্তকারী সংস্থার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসা পর্যন্ত অভিযানের প্রকৃত কারণ নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এখন নজর, ইডির তল্লাশি শেষে তদন্তকারী সংস্থা কী তথ্য সামনে আনে এবং অভিযানের কারণ সম্পর্কে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয় কি না, তার দিকে।








