আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

ধর্মান্তকরণের অভিযোগ ঘিরে বর্ধমানে উত্তেজনা, হামলা-ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ—পাল্টা দাবি বজরং দলের

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান থানার অন্তর্গত বিজয়রাম দেওয়ানদিঘি এলাকায় একটি প্রার্থনা সভাকে কেন্দ্র করে রবিবার তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রার্থনাস্থলে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় কয়েকজনকে কান ধরে ওঠবস করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে অঙ্কুর নারুলা মিনিস্ট্রিজের বর্ধমান শাখা। অভিযোগকারী ঋতম দে, চন্দ্রা সাউ ও সংগীতা দাসের দাবি, রবিবার দুপুরে গোপাল ভবনে যীশু খ্রিস্টের প্রার্থনা চলাকালীন একদল ব্যক্তি সেখানে এসে স্লোগান দিতে দিতে অশান্তি সৃষ্টি করেন।

প্রতিবাদ জানানো হলে প্রার্থনায় অংশগ্রহণকারীদের উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, কয়েকজনকে রাস্তায় এনে মারধরের পাশাপাশি কান ধরে ওঠবস করানো হয় এবং মহিলারাও নিগ্রহের শিকার হন। লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, হামলাকারীরা প্রার্থনাস্থলে ভাঙচুর চালায় এবং মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ-সহ কিছু সামগ্রী নিয়ে চলে যায়। পাশাপাশি, তাঁদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণ এবং বিদেশ থেকে আর্থিক সাহায্য পাওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। তবে ঋতম দে দাবি করেছেন, ধর্মান্তকরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

অন্যদিকে, বজরং দলের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সংগঠনের সদস্য ইন্দ্রনীল সাঁই দাবি করেন, এলাকার আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ পেয়েই তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন এবং তারই প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এদিকে, বিজেপির জেলা মুখপাত্র শান্তরূপ দে বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াকে বিজেপি কোনওভাবেই সমর্থন করে না। তাঁর বক্তব্য, যদি ধর্মান্তকরণ সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকে, তবে তা পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রার্থনাস্থলে ঢুকে হামলা চালানোও সমর্থনযোগ্য নয়।

ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি