আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

সাংবাদিকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সহায়তার হাত, মাসিক পেনশন বেড়ে ৫ হাজার টাকা; মিলবে ৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসা সুবিধাও

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

বর্ধমান :-সাংবাদিকদের উন্নয়ন ও কল্যাণে আরও একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা জানানো হল নবান্নে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে। রাজ্যের বিশিষ্ট ও পেনশনভোগী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় সাংবাদিকদের মাসিক পেনশন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে মঙ্গলবার । এতদিন মাসিক আড়াই হাজার টাকা পেনশন পাওয়া সাংবাদিকরা এবার থেকে মাসিক ৫ হাজার টাকা পেনশন পাবেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন এই পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

 

পাশাপাশি সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও বড় সুবিধার কথা জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথীর পরিবর্তে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিক এবং তাঁদের পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। এর ফলে চিকিৎসার জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

 

এতদিন সরকারি স্বীকৃত বা অ্যাক্রিডিটেশনপ্রাপ্ত প্রেস কার্ডধারী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেই বিভিন্ন সরকারি সুবিধা সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এবার সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দিলে তাঁদেরও এই সুবিধার আওতায় আনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আসন্ন দুর্গাপুজো উপলক্ষে সাংবাদিকদের জন্য ৩ হাজার টাকা অনুদানের কথাও জানানো হয়েছে।

 

তবে স্থানীয় সংবাদপত্রগুলির জন্য সরকারি বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত দাবি নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত আশ্বাস মেলেনি। বেঙ্গল পাক্ষিক পত্রিকা সমিতির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আবেদন ও দাবি তুলে ধরা হলেও, তা নিয়ে অবিলম্বে কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা ডঃ সুব্রত গুপ্ত বিষয়টি আলোচনা ও পর্যালোচনা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

 

এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ডঃ সৌমিত্র মোহন, মনোজ আগরওয়াল-সহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী এবং সরকারি আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন।
পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকেও বহু সাংবাদিক এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শ্যামল মুখার্জি, বৈদ্যনাথ কোঙার, তারকনাথ রায়, তপন পাল, জয়ন্ত দত্ত, শুভাশীষ সিংহ, রাম কুণ্ডু-সহ আরও অনেকে।
সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি ও কল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে এই বৈঠকের সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সাংবাদিক মহলের একাংশ।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি