আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

দিল্লির ছাত্র আন্দোলন নিয়ে এবার মুখ খুললেন সলমন

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ, প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরের সামনে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দিল্লিতে চলা এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী জুড়ে চড়েছে উত্তেজনার পারদ।

নিরাপত্তাজনিত কারণে ১৬টি দিল্লি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করতে হয়েছে, যন্তর মন্তরে মোতায়েন হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই পরিস্থিতির মাঝেই সোশাল মিডিয়ায় নিজের মত প্রকাশ করলেন সলমন খান। আন্দোলনকে পূর্ণ সমর্থন জানানোর পাশাপাশি আন্দোলন ঘিরে ঘটে যাওয়া হিংসাত্মক ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি।

নিজের দীর্ঘ বার্তায় অভিনেতা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, “এত শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলন যে শেষ পর্যন্ত হিংসাত্মক রূপ নিতে বাধ্য হল, তা দেখে খুব কষ্ট হচ্ছে। যে সমস্ত শিক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবার এতে আঘাত পেয়েছেন, তাঁদের জন্য আমার গভীর সমবেদনা রইল”। আন্দোলনের হিংসাত্মক পরিণতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের অধিকার ও সাহসের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ৬০ বছর বয়সি এই অভিনেতা।

নিজের স্কুলজীবনের একটি পুরনো ও ঝাপসা ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, “প্রশ্নফাঁস অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়। এ দেশের ছেলেমেয়েরা যে নিজেদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য এবং একটা উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে এভাবে একত্রিত হয়েছেন, আর অভিভাবকেরাও তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা দেখে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত।

”আন্দোলনের সার্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সলমন অত্যন্ত সতর্কবার্তা দিয়ে লিখেছেন, “এই ইস্যুটি মূলত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ একটি বিষয়, এতে যেন রাজনীতি না ঢোকে। এই লড়াইয়ের সমস্ত কৃতিত্ব শুধু দেশের শিক্ষার্থীদেরই পাওয়া উচিত”। একই সঙ্গে একটি সমাধানের আশা প্রকাশ করে তিনি লেখেন, “আমি নিশ্চিত যে সরকারও তাঁদের সম্পূর্ণ সমর্থন জোগাবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। এটা দুই পক্ষের জন্যই এক ইতিবাচক ও জয়-জয়ের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। যাঁরা শিক্ষিত হতে চান, ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন”।

See also  বড়গোপীনাথপুর দাতব্য চিকিৎসালয় আজ অবহেলায় ধুঁকছে, পরিষেবা না পেয়ে চরম অসুবিধায় এলাকাবাসী

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি