আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে শাল গাছের মহাত্ম আলাদা। তাই তারা নিয়মিত শাল গাছের পুজো করে গাছের বংশবৃদ্ধিতে চেষ্টা করেন।শাল গাছের পূজা ভারতের বিভিন্ন অংশে প্রচলিত একটি ঐতিহ্যবাহী প্রথা। এটি সাধারণত প্রকৃতি পূজা এবং সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের কামনায় করা হয়। বিশেষ করে ঝাড়খন্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে সরহুল উৎসবে শাল গাছের পূজা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।শাল গাছের পূজা করার কারণ ও পদ্ধতি:-

প্রকৃতি পূজা:- শাল গাছকে প্রকৃতি এবং উর্বরতার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। আদিবাসী সংস্কৃতিতে, শাল গাছকে “জীবনের গাছ” হিসেবেও ধরা হয়।
সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের কামনায়:- এই পূজার মাধ্যমে সুখ, শান্তি, এবং সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। ঐতিহ্যগতভাবে, এটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে বলে মনে করা হয়।
সরহুল উৎসব:- ঝাড়খন্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়ের সরহুল উৎসবে শাল গাছের পূজা করা হয়। এই উৎসবে, পুরোহিতরা গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে শাল ফুল বিতরণ করেন এবং এটি সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
পূজার স্থান:- কোথাও কোথাও, শাল গাছের নিচে শাল ফুল ও পাতা দিয়ে পূজা করা হয়। কোথাও বা, পবিত্র স্থানে (“সারনা”) শাল গাছের পূজা করা হয়।
শাল গাছের পূজা বিভিন্ন রূপে ও পদ্ধতিতে প্রচলিত, তবে এর মূল উদ্দেশ্য হল প্রকৃতি ও ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং জীবনে মঙ্গল ও সমৃদ্ধি কামনা করা।










