এ এক সর্বাধুনিক ব্যবস্থা। মুহূর্তে খ্যাতি ও মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে তার খ্যাতি। পৃথিবীর প্রত্যেক নারীর পুরুষ সঙ্গীই বুঝি একমত হবে এই প্রসঙ্গে। ইচ্ছে মতন একগাদা শপিং করাই যায়, কিন্তু ব্যাগ বইবে কে? মেয়েটি মনের আনন্দে কেনাকাটা করছেন, আর দোকানের বাইরে ভারী ব্যাগ হাতে অপেক্ষা করছে তাঁর স্বামী অথবা প্রেমিক, এই চিরাচরিত ছবি তো কতই দেখতে মেলে। এ কাজে পুরুষরা খুব আনন্দ না পেলেও, ব্যাগ বয়ে দেওয়ার মানুষ ছাড়া যে মেয়েরা কেনাকাটায় আনন্দ পান না, সে কথা বলাবাহুল্য।

কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে প্রতিবার শপিংয়ে স্ত্রী অথবা প্রেমিকাকে সঙ্গ দেবেন, এমন সময় কি সবসময় পুরুষদের কাছে থাকে? এ বিষয়টিই ভেবে দেখেছিল দিল্লির এক স্টার্ট-আপ সংস্থা। আর তা থেকেই জন্ম এক উদ্ভাবনের! খোলসা করে বলা যাক। দিল্লির লাজপত নগর, সরোজিনী নগর অথবা চাঁদনি চৌকে এক পা চলতে না চলতেই দোকান! সেখানে একবার কেনাকাটা করতে ঢুকলে, আর সহজে বেরনোর ইচ্ছে হয় না কারওরই। ফলত, সঙ্গে আসা বাড়ির লোক খানিক বিরক্ত হয়, ক্লান্ত হয়, ব্যস্ততা বাড়ে।
এই সমস্যার সমাধান করতে দিল্লির এক স্থানীয় সংস্থা চালু করল ‘ক্যারিমেন’ নামের এক পরিষেবা। যার ট্যাগলাইন ‘ইউ শপ, উই ক্যারি’। এর মাধ্যমে ‘বুক’ করা যাবে এমন পুরুষদের, যারা শপিং চলাকালীন যাবতীয় ব্যাগ বয়ে দেবে! ব্যাগের ভার যতই হোক না কেন, তা নিয়ে তাদের বিরক্ত বা ক্লান্ত হতে দেখা যাবে না! সর্বোচ্চ ১২ কেজি ওজন বইতে পারবে এমন একজন অ্যাসিস্টেন্ট। বিশেষত শপিং সেরে যদি স্ট্রিট ফুডের ভিড়ে দাঁড়াতে চান কোনও মহিলা, অথবা মেট্রো টিকিটের দীর্ঘ লাইনে তাঁকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তখন রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় ভারী শপিং ব্যাগ। এমন অবস্থায় ভীষণ কাজে আসবে ‘ক্যারিমেন’, বিশ্বাস সংস্থাটির।









