উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,জয়নগর :জয়নগর মজিলপুর স্টেশনে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হলো কয়েকশো হকার। বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার গঠনের পর থেকে শিয়ালদহ, হাওড়া,সোনারপুর, লক্ষ্মীকান্তপুর সহ একাধিক স্টেশনের প্ল্যার্টফর্মে বে আইনি বসা হকার উচ্ছেদ করেছে রেল।আর ইতিমধ্যে শিয়ালদহ দক্ষিন শাখার বারুইপুর জয়নগর মজিলপুর মথুরাপুর সহ একাধিক স্টেশনের প্ল্যার্টফর্ম ফাঁকা করার আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে রেলের তরফে।দিন দিন রেলওয়ে প্ল্যার্টফর্মের জায়গা হকারদের দখলে চলে যাওয়ায় সাধারণ ট্রেন যাত্রীদের যাতায়াত, প্ল্যার্টফর্মে দাঁড়ানো, ট্রেন থেকে নামা ও ওঠার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছিল।আর সে সব দিক দেখে রেল দপ্তর প্ল্যার্টফর্মে অবৈধ ভাবে গজিয়ে ওঠা হকারদের তুলে প্ল্যার্টফর্ম পরিস্কার করার কাজে হাত লাগায়।

শিয়ালদহ দক্ষিন শাখার জয়নগর মজিলপুর একটি ব্যস্ততম রেল স্টেশন।সুন্দরবনের কুলতলি, মৈপীঠ ও জয়নগর এলাকার মানুষের যোগাযোগের রেলপথ এই জয়নগরমজিলপুর।জয়নগর মজিলপুর স্টেশন এলাকায় ১২০০ র অধিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে হকারি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। কিন্তু কয়েকদিন পূর্বে রেল প্রশাসন তাদেরকে ২০ মের মধ্যে উঠে যাওয়ার নোটিশ জারি করে। তার ফলে হকারদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বুধবার সকাল ৮ টা থেকে প্রায় সহস্রাধিক হকার জয়নগর মজিলপুর রেল স্টেশনে জড়ো হয় এবং মিছিল শুরু করে। এই মিছিল দু’নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে সিনেমা তলা – রথতলা হয়ে স্টেশনে ফিরে আসে। তাদের দাবি আমরাও রেলের উন্নয়নের শরিক হতে চাই কিন্তু পুনর্বাসন না দিয়ে কোন একজন হকারকে ও উচ্ছেদ করা চলবে না।এ দিনের এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সারা বাংলা হকার ইউনিয়নের নেতা বিশ্বনাথ সরদার,লক্ষণ হালদার, নূরনবী হালদার, শেরিফ পৈলান।
একই ভাবে সিটু ইউনিয়নের তরফে পুলক বসু সহ নানান গণ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।এদিন এই মিছিল এবং বিক্ষোভ অবস্থান চলতে থাকে দুপুর দুটো পর্যন্ত।তবে তাদের আন্দোলনের চাপে রেল প্রশাসন উচ্ছেদ প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখতে বাধ্য হন বলে এদিন জানালেন আন্দোলন কারীরা।রেল দফতর সূএে জানা গেল,এদিনের উচ্ছেদ কর্মসূচি বিশেষ কারনে বাতিল করা হয়েছে।তবে আগামী দিনে তা আবার করা হতে পারে।











