আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

বন্যার জলে ডুবেছে সরকারি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, পরিষেবা থেকে বঞ্চিত শিশুরা; ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসী

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

নিজস্বসংবাদদাতা, কাটোয়া:- কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ২ নম্বর ব্লকের শ্রীবাটী গ্রাম পঞ্চায়েতের মুল্টিগ্রামের মাঝ মাঠে অবস্থিত সরকারি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কেন্দ্রের চারপাশে জল জমে থাকায় সেখানে পৌঁছানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় আড়াই বছর আগে সরকারি অর্থে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ভবন নির্মিত হলেও আজ পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত পরিষেবা শুরু হয়নি। কেন্দ্রে যাওয়ার উপযুক্ত রাস্তা নেই, পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই এবং বিদ্যুৎ সংযোগও করা হয়নি। ফলে শিশুদের জন্য নির্মিত ভবনটি দীর্ঘদিন ধরেই কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, গত প্রায় ২৪ বছর ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী শোভা দাস নিজের বাড়ি থেকেই কেন্দ্র পরিচালনা করছেন। অভিযোগ, নতুন সরকারি ভবনে ক্লাস না করিয়ে শুধুমাত্র খাবার বিতরণ করা হতো। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি শোভা দাস।


এ প্রসঙ্গে কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সদস্য স্বপন কুমার দত্ত বলেন, সরকারি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার রাস্তা নেই, পানীয় জল ও বিদ্যুতেরও ব্যবস্থা নেই। গ্রামবাসীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারি ভবন নির্মাণের সময় কোনো ধরনের অনিয়ম বা কাটমানি হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র চালু করা এবং সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণের দাবিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তুলে ধরা হবে।


এলাকাবাসীর একটাই দাবি— অবিলম্বে সরকারি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি চালু করা হোক, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলা হোক এবং শিশুদের স্বাভাবিকভাবে শিক্ষা ও পুষ্টি পরিষেবা নিশ্চিত করা হোক। এখন সকলের নজর প্রশাসনের দিকে, কবে এই কেন্দ্রটি চালু হয়ে শিশুদের জন্য দরজা খুলবে।

See also  আত্মা প্রকল্পে কৃষকদের প্রশিক্ষণ শিবির, আধুনিক চাষাবাদে জোর

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি