এর আগে বিধানসভায় সিপিএম বিধায়কের প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। শনিবার প্রশংসা করলেন নওশাদ সিদ্দিকির। বিধানসভায় উপস্থিতির নিরিখে ভাঙড়ের বিধায়ক যে বাকিদের থেকে এগিয়ে, এ দিন বক্তৃতা দেওয়ার সময় তা বাকি বিধায়কদের মনে করিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু৷

রাজ্যে পরিবর্তনের পরে নওশাদের নিজের বিধানসভা এলাকায় যেতেও সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি উপলক্ষে এ দিন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোন দলের কতজন বিধায়ক তা গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ বিধানসভায় বিরোধীদেরই বলার জন্য মোট বরাদ্দ সময়ের অর্ধেক বরাদ্দ করা হবে৷
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ভিন্ন ভিন্ন বিরোধী দল নিয়ে বিরোধী সমষ্টি তৈরি হয়েছে। শাসক ও বিরোধী সব বিধায়ককে ধন্যবাদ জানাব। নতুন বিধায়ক অনেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এবারে লাইভ বিধানসভা। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা।বিধানসভাকে প্রাণবন্ত করতে চাই। সংখ্যা কোনও বিষয় নয়, হাউজ হল বিরোধীদের। অর্ধেক সময়ে আপনাদের দেওয়া হবে।’
মুখ্যমন্ত্রী বলেন বছরে অন্তত ৮০ থেকে ১০০ দিন বিধানসভার অধিবেশন হওয়া উচিত৷ একই সঙ্গে বিধানসভায় মন্ত্রীদের উপস্থিতি নিয়েও এদিন কড়া মনোভাব দেখিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শুভেন্দু বলেন, ‘মন্ত্রীদের বিধানসভায় ঘর দেওয়া হয়েছে শুধু নেমপ্লেট লাগানোর জন্য নয়৷ মন্ত্রীরা বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করবেন, তাঁদের সমস্যা শুনবেন৷
অধিবেশন চালু থাকলে সাতজন মন্ত্রীকে উপস্থিত থাকতেই হবে। না হলে অধিবেশন স্থগিত করুন। বিধানসভায় বিধায়কদের উপস্থিতি দিয়ে দিন ওয়েবসাইটে। এক্ষেত্রে নওশাদ এগিয়ে। অনেককে বিধানসভায় দেখা যাচ্ছে না, ফলে তাঁদের এলাকা থেকে প্রশ্ন উঠছে। এখন তো সব লাইভ।’











