খবরে প্রকাশ মমতা পন্থী তৃণমূল সাংসদের অধিকাংশই মমতাকে ছেড়ে চলে গেছেন। ইদানিং বোঝা যাচ্ছে যে সেই সাংসদরা সম্ভবত বিজেপিতেই যোগ দিচ্ছেন। আর ঠিক তখনই মুর্শিদাবার জেলার তিনজন মুসলিম বিধায়ক বেঁকে বসেছেন। তৃণমূল ছেড়ে NCPI গিয়েছিলেন। এখন আবার NCPI থেকে তৃণমূলেই ফিরতে চাইছেন। ৩ ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের এমনই প্ল্যান বলে সূত্রের খবর। এই নিয়ে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। প্রথমে দুই সাংসদের নাম ইতিমধ্যেই অনেকে জেনে গিয়েছেন। আবু তাহের খান এবং খলিলুর রহমান। সূত্রের দাবি, ইউসুফ পাঠানও সম্ভবত ফিরতে চাইছেন তৃণমূলে(TMC MPs)। আরও দাবি করা হচ্ছে, তিন জন সাংসদ ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে এখনও অফিসিয়ালি কেউ কিছুই ঘোষণা করেননি। সে যাই হোক, এঁদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আপাতত কালীঘাট এবং দিল্লিতে চর্চা তুঙ্গে।

দলীয় সূত্রে খবর, আবু তাহের খান(Abu Taher Khan), খলিলুর রহমান(Khalilur Rahaman) এবং ইউসুফ পাঠান(Yusuf Pathan); এই তিন সাংসদই তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনজনই মুর্শিদাবাদ জেলার সাংসদ। আবু তাহের খান মুর্শিদাবাদ কেন্দ্র। খলিলুর রহমান জঙ্গিপুর কেন্দ্র। অন্যদিকে, বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানও ঘাসফুলের টিকিটেই নির্বাচিত হন।দিল্লির সূত্রের দাবি, আবু তাহের খান ও খলিলুর রহমান প্রবীণ তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। একই সঙ্গে ইউসুফ পাঠানও তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের(Lok Sabha MPs) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে খবর। যদিও এই বিষয়ে এখনও দলীয় বা ব্যক্তিগত স্তরে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে পুরোটাই এখনও সূত্রের খবর।
এই জল্পনার মাঝেই মুখ খুলেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়(Sougata Roy)। জানিয়েছেন, এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে কয়েকজন সাংসদদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। তাঁরা তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে।











