আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহে স্ত্রীর গলায় বঁটির কোপ মারলেন স্বামী

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- শিশু সন্তানদের সামনেই বঁটি দিয়ে কোপ মেরে স্ত্রীকে জখন করার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে।জখম বধূর নাম আল্পনা দাস ।তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার বাঘাসন গ্রামে । চিকিৎসার জন্য বধূকে প্রথম নিয়ে যাওয়া হয় মন্তেশ্বর হাসপাতালে । পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় ।পুলিশ বধূর স্বামী উৎপল দাসকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ।বধূর উপর তাঁর স্বামীর এমন নৃশংস অত্যাচারের কথা জেনে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বাঘাসনের বাসিন্দারা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,দম্পতি
আল্পনা দাস ও উৎপল দাসের নিজের বাড়ি মন্তেশ্বরের বাঘাসন গ্রামে । তাঁদের দুটি শিশু সন্তান রয়েছে ।পেশায় রাজমিস্ত্রী উৎপল মাসখানেক আগে মন্তেশ্বর হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নেন । সেখানেই তাঁরা সন্তানদের নিয়ে থাকা শুরু করেন ।
মঙ্গলবার বেলা ১০ টা নাগাদ ওই ভাড়া বাড়িতেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি বাঁধে ।

অভিযোগ,তখনই স্বামী উৎপল দাস রান্নাঘর থেকে বঁটি বের করে এনে শিশুসন্তানদের সামনেই তাঁর স্ত্রী আল্পনার গলায় কোপ মারেন ।বধূর আর্তনাদ ও শিশুদের কান্নাকাটি শুনে প্রতিবেশীরা উৎপলের ঘরে ছুটে যান । ওই ঘরের মেঝেতে আল্পনাদেবী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তারা অাঁতকে ওঠেন। পরে স্থানীয়রা বধূকে উদ্ধার করে মন্তেশ্বর হাসপাতালে নিয়ে যান ।এই ঘটনার খবর পেয়ে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছায় ।

খোঁজ খবর নিয়ে পুলিশ অফিসাররা জানতে পারেন, আল্পনার অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন তাঁর স্বামী উৎপল । সেই সন্দেহের জন্য উৎপলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী আল্পনার অশান্তি লেগেই থাকতো । মঙ্গলবার বেলায় ফের অশান্তি শুরু হলে উৎপল তাঁর স্ত্রীর গলায় ধারালো বঁটির কোপ মারে । এই এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ঘটনা বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ জমা না পড়লেও পুলিশ উৎপলকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ।

See also  ১০৮ নরমুন্ডুের মালা নিয়ে তিনশো বছরের প্রাচীন মা করুণাময়ী কালীর পুজো আজও জাগ্রত সাউথ বিষ্ণুপুরে

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি