উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,বারুইপুর : বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় এবার সাসপেন্ড বারুইপুর থানার আইসি এবং এক সাব ইনস্পেক্টর।বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার পরাজিত বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ঘটনার দিন পুলিশ রাস্তায় তাঁকে দেখতে পেয়েই মারধর শুরু করে। বিনা প্ররোচনায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলাও দেওয়া হয় বলে দাবি বিজেপি নেতার।আর এর পরে রাজ্য পুলিশের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে বারুইপুর থানার আইসি সমর দে’র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অভিযোগ, ফল প্রকাশের পরের দিন অর্থাৎ গত ৫ ইমে বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পালকে মারধর করা হয়। খোদ পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে। নাম জড়ায় বারুইপুর থানার আইসি সমর দে এবং সাব ইনস্পেকটর সুকুমার রুইদাসের।

ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, বারুইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থীকে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী মারধর করে গাড়িতে তুলছেন। এমনকী ঘটনাস্থলেই ছিলেন বারুইপুর থানার আইসি সমর দে।ওই দিনের ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলেন, ফলাফল প্রকাশের পরের দিনই এই ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন এলাকায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ জানায় তৃণমূল। এহেন অভিযোগের পরেই বারুইপুর থানার আইসি এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এরপরেই এই ঘটনা বলে দাবি। বিশ্বজিৎ পাল অভিযোগে জানায়, ঘটনার দিন পুলিশ রাস্তায় তাঁকে দেখতে পেয়েই মারধর শুরু করে।বিনা প্ররোচনায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলাও দেওয়া হয় বলে দাবি বিজেপি নেতার। এরপরেই পুলিশের বিরুদ্ধেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।আর অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের মধ্যেই বারুইপুর থানার আইসি এবং সাব ইনস্পেক্টরকে সাসপেন্ড করা হল।আপাতত জয়ন্ত পোদ্দারকে থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আর নতুন সরকার গঠনের পরে এই প্রথম ঘটনা।









