আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

“পাপের ফলেই ধ্বংস হয়েছে তৃণমূল” – শুভেন্দু অধিকারী

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

শুক্রবার ছিল নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে খুবই ঘনঘটার দিন। সারাদিন ধরে চলেছে নানা নাটক। অবশেষে কোনো আজ্ঞাত কারণে মমতার প্রার্থী দুপুরে নবান্নে শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক করেন আর বিকেলে তার প্রার্থীপদ থেকে পদত্যাগ করেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মমতা সবদিক হারিয়ে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন জানান। তারপরেও শুভেন্দুর পুলিশ কংগ্রেস প্রার্থীকে করে। মমতা বড়ো নিঃসঙ্গ অসহায় হয়ে পারেন। আর আনন্দ শুরু হয়েছে বিজেপি শিবিরে। পাপের ফলেই ধ্বংস হয়েছে তৃণমূল। দম্ভই পতনের কারণ।

তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দলকে একজোট করে রাখতে পারেনি। দলের যে ভাগ হয়েছে, তার দায় বর্তায় মমতার উপরই। এমনটাই মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর কথায়, ভগবান রামের অভিশাপেই তৃণমূল ধ্বংস হয়েছে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উনি ওনার দলকে একজোট রাখতে পারেননি। দলের মধ্যে দুই ভাগ-তিন ভাগ-চার ভাগ হয়েছে। তার দায়-দায়িত্ব তো ওনার। নির্বাচনের দিন, গণনার দিন রাতে হলদিয়াতে বলেছিলাম আর যেই থাকুন এরা থাকবেন না। তার কারণ হল অতি দর্পে হত লঙ্কা, অতিমানে চ কৌরবা। দম্ভ যার হবে, সেই দম্ভের চূর্ণ ভগবান করে দেবেন।

সর্বশক্তিমান আছেন। মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলা, আর রামমন্দির উদ্বোধনের দিন রামমন্দির মানি না বলে মিছিল করা। আছেন তো। ভগবান রামচন্দ্রের অভিশাপেই সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।”উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দুই শিবিরকেই ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, আপাতত কোনও শিবির এককভাবে “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস” নামটি ব্যবহার করতে পারবে না। কোনও শিবিরই নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। নিজেদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন নাম বেছে নিতে পারবে দুই শিবিরই। চাইলে তাঁদের নাম মূল দল “সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস”-এর সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি