খুব বড়ো প্যাঁচে পড়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী সুজিত বসু। পুরোনিয়োগ দুর্নীতিতে তাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। বেশ অনেকদিন হওয়ার পরেও তাকে জামিন দিতে রাজী না ইডি। এবার তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে বিস্ফোরক তথ্য দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুজিত বসু।বুধবার ওই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ প্রশ্ন করেন, সুজিত বসুকে ইডি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা কোথায়?

এএসজি এস ভি রাজু বলেন, সুজিত বসু কোনও সাধারণ অভিযুক্ত নন। সাধারণ ধারায় মামলা নয়। PMLA আইনে অভিযুক্ত সুজিত বসু। এরপরই দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরা হয় ইডি-র তরফে।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পুরনিয়োগে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থীর চাকরি হয়েছে। চাকরি পিছু ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। সুজিত বসুর অ্যাকাউন্টে ৮.৮ কোটি টাকা মিলেছে বলেও দাবি ইডি-র। সুজিতের পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও মিলেছে কোটি কোটি টাকা।
শেয়ার বাজারে বড় বিনিয়োগের কথাও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। ইডি আরও জানিয়েছে যে অয়ন শীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে যে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময় নিয়ে ১৫২ জনের চাকরির সুপারিশ করেছিলেন সুজিত বসু। ওএমআর (OMR) কারচুপি করে চাকরির অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ, প্রকৃত মেধাবী প্রার্থীরা সঠিক উত্তর দিলেও তাঁদের বঞ্চনা করা হয়েছে OMR কারচুপির মাধ্যমে।











