আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

উচালন আমতলা থেকে একলক্ষী পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রী ও ব্যবসায়ীরা

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

পূর্ব বর্ধমানের উচালন আমতলা থেকে একলক্ষী পর্যন্ত সড়কের দীর্ঘদিনের বেহাল অবস্থায় চরম সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ওই রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ফলে পণ্যবাহী ট্রাক, বালিবোঝাই লরি-সহ অন্যান্য ভারী যানবাহন বিকল্প পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার সংস্কার সম্পূর্ণ না হওয়ায় অতিরিক্ত পথ ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে সময় ও পরিবহণ খরচ যেমন বাড়ছে, তেমনি বর্ধমান ও বাঁকুড়ার বাণিজ্যিক বাজারেও তার প্রভাব পড়ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, পণ্য পরিবহণে বিলম্ব হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। যদিও সম্প্রতি রাস্তার কিছু অংশে মেরামতির কাজ হয়েছে, তবুও এখনও সম্পূর্ণ সংস্কার শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ কমেনি। প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালকদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

উচালন গ্রামের বাসিন্দা মানষ দে বলেন, “উচালন আমতলা থেকে একলক্ষী পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এর ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়ছেন। পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়ছে। দ্রুত রাস্তা সম্পূর্ণ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।” অন্যদিকে, বৈঠারী গ্রামের বাসিন্দা সানোয়ার আলী খান জানান, “ব্যবসার কাজে প্রতিদিন এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে যাতায়াতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। বড় ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সমস্যা আরও বেড়েছে। দ্রুত রাস্তার সংস্কার হলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী—উভয়েই উপকৃত হবেন।” এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত উচালন আমতলা থেকে একলক্ষী পর্যন্ত রাস্তার পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের ব্যবস্থা করুক প্রশাসন, যাতে স্বাভাবিক হয় যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বাণিজ্যিক পরিবহণ।

See also  রায়না–মেমারী–জামালপুর–খণ্ডঘোষে সাংগঠনিক দায়িত্বে ডাঃ শর্মিলা সরকার, মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা তৃণমূল নেতৃত্বের

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি