আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার ময়নাতদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,বারুইপুর : বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ময়নাতদন্তে পুলিশের কাছে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।শনিবার বন্ধুর জন্মদিনের উপহার কিনতে পাড়ার দোকানে গিয়েছিল ১১ বছরের ছোট্ট মেয়েটা।তারপর রবিবার পুকুর থেকে উদ্ধার দেহ। রবিবারই নাবালিকার নৃশংস পরিণতির প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর। এই আবহেই সামনে এল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট।

যে রিপোর্টের পরতে পরতে ভয়ঙ্কর অত্যাচারের ইঙ্গিত।ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করে মেয়েটিকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, রিপোর্টে বলা হয়েছে, যখন তাকে পুকুরে ফেলা হয়েছিল, তখনও সে বেঁচে ছিল। সূত্রের খবর, মেয়েটির মাথায় ক্ষত রয়েছে।

কোনও ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করা বা কোনও জায়গায় মাথা ঠুকে দেওয়ার ফলে এই ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। তার যৌনাঙ্গের আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট।রবিবারই ক্ষতবিক্ষত নিথর নাবালিকার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছিল।রাতে ময়নাতদন্তের পর বাড়িতে আনা হয় দেহ।সোমবার কবরস্থ করা হয় নিথর দেহ খানি।ওতটুকু মেয়ের উপরে কীভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে শিউরে ওঠার মতো সব ইঙ্গিত।

শরীরে একাধিক আঁচড়কামড়ের দাগ রয়েছে।রিপোর্টের গুরুত্ব পূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নাবালিকাকে অ্যান্টিমোর্টেম ড্রাউনিং অর্থাৎ মাথায় আঘাতের করে অচেতন অবস্থায় তাকে পুকুরে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, ওই নাবালিকার পাকস্থলী ও ফুসফুস জল ঢুকে ফুলে গিয়েছে। মাথার ক্ষত থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। জলে ডুবে গিয়েই নাবালিকার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ রিপোর্টে।

শনিবার বিকেলে বেরিয়ে দীর্ঘক্ষণ পেরোলেও বাড়ি না ফেরায় নাবালিকার পরিবার নিখোঁজের ডায়েরি করে বারুইপুর থানায়। রাতেই এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই নাবালিকাকে নিয়ে যাচ্ছে চারজন। রবিবার সকালে ধবধবি ও সূর্যপুর স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় নাবালিকার বস্তাবস্তি দেহ উদ্ধার হয়।

নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে তোলপাড় হয় বারুইপুর। গণ পিটুনিতে এক অভিযুক্তকে মেরে ফেলে উন্মত্ত জনতা। বারুইপুর জেলা পুলিশ, এসটিএফ ও রাজ্য পুলিশের সিটের ৬ সদস্যের নজরদারিতে চলছে তদন্ত। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত সহ ৩ জন গ্রেপ্তার ইতিমধ্যেই। বাকিদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

See also  ক্যানিংয়ে স্ত্রীকে দিয়ে ফোন করে ডাকিয়ে প্রেমিককে ‘খুন’ স্বামীর, ধৃত দম্পত্তি

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি