গ্রামে ফিরতেই যেন আবেগ আর ভালোবাসার বাঁধ ভাঙল। পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের আমরাল গ্রামের ভূমিপুত্র তথা পিন্টু সাম আজ জেলার যুবসমাজের কাছে এক লড়াকু মুখ। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, একাধিক মামলা, কালিয়াগঞ্জ এর ঘটনায় আন্দোলন করতে গিয়ে প্রেসিডেন্সি জেলে জেল খাটা জেল জীবন— কোনো কিছুই তাকে আদর্শ ও সংগঠনের পথ থেকে সরাতে পারেনি। তৃণমূল আমলে বছরের পর বছর ঘরছাড়া থেকেও তিনি মানুষের পাশে থাকার লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।

শনিবার বিজয় মিছিলে বহুদিন পর নিজের গ্রামে ফিরতেই আবেগে ভেসে যায় আমরাল গ্রাম। মালা, ফুল, আবিরে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেন গ্রামের মানুষ। কোথাও প্রবীণদের চোখে জল, কোথাও যুব সমাজের উচ্ছ্বাস— সব মিলিয়ে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই প্রমাণ করে, সংগ্রামী নেতাদের প্রতি মানুষের বিশ্বাস কখনও মুছে যায় না। পিন্টু সাম মিছিল থেকে শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা দেন। তিনি বলেন, “অত্যাচারের বদলা অত্যাচার নয়। এই বাংলা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শের বাংলা। এখানে শান্তি, উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে।” পাশাপাশি যারা দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কারণে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন, তাঁদেরও সংবর্ধনা দেন তিনি।
গ্রামের বিভিন্ন মন্দিরে প্রণাম জানিয়ে বিজয় মিছিলে অংশ নেন তিনি। মিছিল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়। গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল মানুষের ভালোবাসা, আবেগ এবং নতুন আশার বার্তা। বর্ধমান জেলার যুব মোর্চার সভাপতি হিসেবে পিন্টু সাম আজ শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি বহু কর্মীর কাছে সংগ্রাম, সাহস ও মানুষের জন্য লড়াই করার এক অনুপ্রেরণার নাম।









