উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,বারুইপুর : ১০ দিনের মাথায় আবার উঠে এলো শিরোনামে বারুইপুর। এ বার এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে উওেজনা ছড়ালো এলাকায়। সোমবারের এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বারুইপুর থানার শাসন এলাকার ঘটনা।গত ৫ ই জুলাই বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ, খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় সারা রাজ্য।আর এরই মধ্যে নতুন অভিযোগ সেইবারুইপুরেই।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর,ওই নাবালিকার বয়স ১২-১৩ বছর।ধৃত যুবকের নাম সামাদ আলি, বয়স ৩৭।বাড়ি মথুরাপুরে।

মুরগির ব্যবসা করে সে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, খাবারের লোভ দেখিয়ে ওই নাবালিকাকে বারুইপুরে নিয়ে আসে সে।অভিযোগ,এলাকার এক বাসিন্দার কাছে ঘর ভাড়া চেয়েছিল ওই যুবক। মেয়েটিকে দেখে সন্দেহ হয় বাড়ির মালিকের। এর পরেই তাদের আটকে রেখে পাড়া প্রতিবেশীকে খবর দেওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় থানায়।স্থানীয় বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথের বলেন, ‘ওই নাবালিকা আর ওই যুবককে আটকে রেখে স্থানীয়রাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে।আমি বললাম,মারধর করো না।আমি থানায় জানাচ্ছি।আমিই লিখিত ভাবে জানালাম।’স্থানীয় সূত্রে খবর,অভিযুক্ত যুবক দাবি করেছে,তার বাড়ি মথুরাপুরে।নাবালিকার বাড়ি কলকাতার বেলেঘাটায়।
এলাকার মানুষের দাবি, নাবালিকাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে বারুইপুর এলাকায় নিয়ে এসে ধর্ষণের পরিকল্পনা ছিল ওই যুবকের।বিজেপি নেতা তাপস দেবনাথ বলেন, ‘আমার অবাক লাগছে,সূর্যপুরে এমন ঘটনার পরেও মানুষ সতর্ক হচ্ছে না।’যদিও পুলিশ সূত্রে খবর,ওই নাবালিকার বাড়ি ব্যারাকপুরের দিকে। সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করে শিয়ালদহ স্টেশনে চলেএসেছিল।সেখানেই খাবারের লোভ দেখিয়ে মথুরাপুর এলাকার ওই যুবক বারুইপুরের শাসন এলাকায় নিয়ে যায় ওই নাবালিকাকে।অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তারেরপাশাপাশি ওই নাবালিকাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।ধৃত যুবককে মঙ্গলবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত নেমেছে পুলিশ।আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উওেজনা ছড়ালো বারুইপুর এলাকায়।







