নদীয়ার কল্যাণী-তে আয়োজিত তিন জেলার এক উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে রাজ্যের নতুন মদ নীতি নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখন থেকে রাজ্যের কোনো স্কুল, কলেজ, মন্দির, মসজিদ বা অন্যান্য ধর্মীয় স্থানের ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে নতুন করে কোনো মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত কয়েক বছরে রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে যেভাবে একাধিক মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থানের আশেপাশে মদের দোকান গড়ে ওঠা নিয়ে বহু অভিযোগ সামনে আসে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জাতীয় সড়কের ধারের বহু দোকান সরানোর পর বিকল্প জায়গা হিসেবে অনেক ব্যবসায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ধর্মীয় স্থানের কাছাকাছি লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলেও প্রশাসনিক মহলের দাবি। সেই পরিস্থিতিতে সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং জনমানসের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা থাকাকালীনও শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মদ নীতির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার সেই নীতিতেই বড়সড় পরিবর্তনের পথে হাঁটল রাজ্য সরকার। এই নতুন নীতিকে ইতিমধ্যেই “সামাজিক সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” বলে আখ্যা দিচ্ছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশ।








