উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,কুলতলি:এবার চোর সন্দেহে পিটিয়ে মারার অভিযোগে দড়ি দিয়ে বেঁধে আমানবিক অত্যাচারের অভিযোগ উঠল কুলতলিতে। জানা যাচ্ছে, কেরলমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালে। ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে সাত জনকে। তাঁদের মধ্যে দু’জন নাবালক।আর এই ঘটনাটি ঘটেছে কুলতলি থানার সানকিজাহান এলাকায়।

জানা যাচ্ছে, কেরলমের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি কুলতলিতে এসেছিলেন এক পরিচিতের বাড়িতে।কাজের সূত্রেই সানকিজাহানের বাসিন্দার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল তাঁর। এরপর গত মঙ্গলবার সকালে তিনি স্থানীয় একটি বাজারে যান। এলাকার রাস্তাঘাট অচেনা থাকায় ভুল করে অন্য একটি পাড়ায় ঢুকে পড়েন। এ দিকে, কেরলমের বাসিন্দা হওয়ায় বাংলা বলতে পারেননি। এরপরই অপরিচিত ওই ব্যাক্তিকে এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরতে দেখে গ্রামবাসীদের মনে সন্দেহ জাগে। ভাষা না বুঝতে পারার কারণে ওই ভিন রাজের ব্যক্তি নিজের পরিচয় বা উদ্দেশ্য পরিষ্কার করতে পারেননি।আর তখনই শুরু হয় নির্মম অত্যাচার।
ভিনরাজ্যের ওই ব্যক্তিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে শুরু হয় মারধর। এমনকী সেই ভিডিয়ো রীতিমতো ভাইরাল হয়ে পড়ে।আর তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুলতলি থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে ওই অবস্থায় উদ্ধার করে জয়নগর- কুলতলি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের হাসপাতালে পাঠিয়েছে।এরপর তদন্তে নেমে শনিবার কুলতলি থানার পুলিশ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে।তাঁদের মধ্যে দুজন নাবালক। ভিন রাজ্যের ওই ব্যক্তির পরিচয় জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।ধৃতদের রবিবার কুলতলি থানা থেকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করেছে পুলিশ।











