সব ঠিকই ছিলে মদন মিত্রের। কিন্তু যেই তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে তলব করলো তদন্তকারী সংস্থা, তখনই মদন মিত্র ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে চলে গেলেন ঋত-শিবিরে। আর বিশেষ কোনো কারণে আক্রমন শুরু করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এই নিয়ে এবার মদনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করলেন অভিষেক। সম্মানহানির জন্য ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে আইনি নোটিস পাঠালেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। একইসঙ্গে ৩ দিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমাও চাইতে বললেন। এদিন অভিষেকের আইনজীবী আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদনকে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯ জুলাই ফেসবুক লাইভে এসে অভিষেককে নিয়ে কামারহাটির বিধায়ক মানহানিকর মন্তব্য করেছেন।
মিথ্যে ওই মন্তব্যের জেরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত হয়েছে। এর জন্য তিন দিনের মধ্যে অভিষেককে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে মদনকে। ওই নোটিসে জানানো হয়েছে, ওই ১০ কোটি টাকা একটি ট্রাস্টকে দেওয়া হবে। যেখান থেকে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের যেসব মামলায় জড়ানো হয়েছে, তাঁদের আইনি লড়াইয়ে আর্থিক সাহায্য করা হবে।
মদনকে পাঠানো আইনি নোটিসে আরও বলা হয়েছে, ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি লিখিত ও ভিডিয়ো বার্তা দিয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। নোটিস পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। না হলে আইনি পদক্ষেপের কথা জানানো হয়েছে। এই নোটিসের জবাবে মদন কী বলেন, সেটাই দেখার।
প্রসঙ্গত, ঋতব্রত তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর গত ১৯ জুলাই ফেসবুকে লাইভ ভিডিয়োয় অভিষেককে নিশানা করে মদন বলেছিলেনন, “অভিষেক আপনি তো ক্রিমিনাল। আপনি তো খুনি, পয়সা দিয়ে খুন করেন। অপরাধের প্রবৃত্তি রয়েছে আপনার”। অভিষেককে নিশানা করে আরও বলেছিলেন, “একটা কথা অভিষেককে বলি। আমাকে চমকে-ধমকে লাভ নেই। তুই ডায়মন্ড হারবার গিয়ে যাকে চমকাতে পারিস, আমাকে চমকাস না।
কয়েকদিন আগেও আমাকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল। গুলি চালিয়েছে। আমি এগুলোকে পাত্তা দিই না। জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে”।











