উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,জয়নগর : ২০২২ সালে জয়নগর মজিলপুর পৌরসভার ভোটে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভোটারদের ভয় দেখানো ও ভোট লুটের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গত ২১শে জুন গ্রেফতার তিন জন বকখালির হোটেল থেকে।ধৃত তিনজনের মধ্যে একজন জয়নগর বিধানসভার বকুলতলা থানার সাহাজাদাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃনমূল কংগ্রেসের সদস্য।ধৃতদের জেরা করে একজনের কাছ থেকে উদ্ধার একটি ওয়ান সাটার পিস্তল।

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একের পর এক তৃনমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ দূস্কৃতি, পঞ্চায়েত সদস্যরা গ্রেফতার হচ্ছে।আর ক্ষমতায় আসার পরে বিজেপি ২০২২ সালের জয়নগর মজিলপুর পৌরসভার অভিশপ্ত সেই ঘটনার তদন্ত সামনে তুলে আনে।আর তারই সূত্র ধরে জয়নগর থানার আই সি সুব্রত মালাকারের নির্দেশে এ এস আই বিশ্বজিত সরকার ও তার টিম গোপন সূত্র ধরে বকখালির হোটেল থেকে গত ২১ শে জুন তিন জন কে গ্রেফতার করে জয়নগর থানায় নিয়ে আসে।ধৃত তিনজন হল – গিয়াস খান, বাড়ি বকুলতলা থানার হানারবাটি এলাকায়,জয়নাল শিকারী,বাড়ি বকুলতলা থানার চুকনগর এলাকায় এবং আসমত গাজি, বাড়ি বকুলতলা থানার হানারবাটি এলাকায়।
ধৃত তিন জনের মধ্যে গিয়াস খান সিপিএমের সদস্যের স্বামী ও জয়নাল শিকারী সাহাজাদাপুর পঞ্চায়েতের তৃনমূল কংগ্রেসের সদস্য।ধৃতদেরকে ২২শে জুন জয়নগর থানা থেকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে মহামান্য বিচারক ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন।আর ধৃতদেরকে নিজেদেরহেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করে আসমত গাজির হানারবাটির বাড়ি থেকে একটি ওয়ান শাটার পিস্তল উদ্ধার করে জয়নগর থানার তদন্তকারি পুলিশ আধিকারিক বিশ্বজিত সরকার।ধৃতদেরকে মঙ্গলবার জয়নগর থানা থেকে পুনরায় বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।








