সুমন্ত দাস, কৃষকসেতু: বৃষ্টি মানেই বাঙালির জীবনে একরাশ আবেগ। আর সেই বৃষ্টি যদি স্কুল চলাকালীন নামে, তবে তার আনন্দ হয়ে ওঠে দ্বিগুণ। এমনই এক মেঘলা ও বৃষ্টির দিনে মুখোমুখি হওয়া গেল এক অদ্ভুত সুন্দর অভিজ্ঞতার। সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘলা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে চারদিক অন্ধকার হয়ে আসে। টিফিনের ঠিক আগের পিরিয়ডে হঠাৎ করেই শুরু হল বৃষ্টি। জানলার বাইরে তখন শুধুই সাদা জলের চাদর। বৃষ্টির শব্দে শিক্ষকের গলার আওয়াজ ঢাকা পড়ে যাচ্ছিল।

ব্যাকরণ বা গণিতের কঠিন সূত্র ভুলে ছাত্রছাত্রীদের চোখ তখন জানলার বাইরে। বৃষ্টির ঠান্ডা হাওয়া ঘরের ভেতরের ভ্যাপসা গরম নিমেষেই দূর করে দিল।টিফিনের ঘণ্টা পড়া মাত্রই স্কুল চত্বর যেন এক উৎসবের প্রাঙ্গণে পরিণত হলো। টিফিন বক্সের চাউমিন বা লুচি-আলুর দম ভাগ করে খাওয়ার আনন্দই ছিল আলাদা। অন্য দিকে, বারান্দা থেকে জমে থাকা জলে কাগজের নৌকা ভাসানোর প্রতিযোগিতায় মেতে উঠল একদল পড়ুয়া।
বৃষ্টির বেগ বাড়তে থাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষ শেষ দুটি পিরিয়ড বাতিল করে চটজলদি ছুটির ঘোষণা করলেন। ‘রেইনি ডে’ (Rainy Day)-এর এই আকস্মিক ঘোষণায় স্কুলজুড়ে আনন্দের রোল বয়ে গেল। ছাতা থাকলেও বন্ধুদের সাথে ভিজতে ভিজতে বাড়ি ফেরার সেই আনন্দের স্মৃতি মনে দোলা গেল।










