বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের জগদল্লা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হেলনাশুশুনিয়া গ্রামে বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার হয়ে প্রচার চলাকালীন এক চাঞ্চল্যকর দৃশ্য ধরা পড়ে।
বাঁকুড়ায় নির্বাচনী প্রচারের ময়দানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে ফের গুরুতর প্রশ্ন তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের জগদল্লা ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হেলনাশুশুনিয়া গ্রামে বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার হয়ে প্রচার চলাকালীন এক চাঞ্চল্যকর দৃশ্য ধরা পড়ে।
অভিযোগ উঠেছে, প্রার্থীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ানের হাতে প্রকাশ্যে বিজেপির দলীয় প্রতীক বা লোগো দেখা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে রীতিমতো কাঠগড়ায় তুলেছে শাসকদল।
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, যে বাহিনীর কাজ নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, তারাই যদি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতীক বহন করে, তবে সাধারণ ভোটারদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয় এবং এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নষ্ট হচ্ছে।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি তীর্থঙ্কর কুণ্ডু অভিযোগ করেছেন যে, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মনে ভয় দেখানোর রাজনীতি করছে বিজেপি। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতৃত্ব নির্বাচন কমিশনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।
অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে এই সমস্ত অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিজেপি প্রার্থী নীলাদ্রিশেখর দানাও এই অভিযোগ মানতে চাননি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে বড় করে দেখিয়ে তৃণমূল আসলে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে বাঁকুড়ার রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে।







