জ্যোতির্ময় মন্ডল, পূর্ব বর্ধমান: আচমকা বানে কয়েক হাজার বিঘা চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে মন্তেশ্বরের বামুনপাড়া অঞ্চলের খনি নদী সংলগ্ন মাঠে। মঙ্গলবার সকালে চাষীর দল মাঠে গিয়ে দেখে আমন ধানের জমি, পাট চাষের জমি, পিঁয়াজ ও গম চাষের জমিও জলের তলায়। বামুনপাড়া অঞ্চলের তেলুলিয়া গ্রামের চাষী কাউসার শেখ, জাহাঙ্গীর শেখ, বসুনগর গ্রামের চাষী ফনিভূষণ হালদার, বিপুল হালদাররা জানায় বামুনপাড়া পঞ্চায়েতের শাহজাদপুর, বামুন পাড়া, লোহনা, বসুনগর প্রভৃতি গ্রামের কয়েক হাজার বিঘা জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
কিভাবে জল এলো বুঝতে পারছে না চাষিরা। তবে আগামী কয়েক দিন যদি জল এভাবে জমিতে থাকে তাহলে ফসল নষ্ট হয়ে যাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চাষীদের দাবি খড়ি নদীর সংস্কার না হওয়ায় এই এলাকায় বড় বড় চর তৈরি হয়েছে । জল ঠিকমতো নিচের অংশে প্রবাহিত না হওয়ায় তা আশপাশের এলাকার ধান জমিতে গিয়ে প্রবেশ করছে।
গত দুদিন আগে বৃষ্টি হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকায়। খড়ি নদী সংলগ্ন আশপাশ এলাকা থেকে জল নদীর মাধ্যমে বয়ে এসে এই এলাকায় এসে প্লাবিত হয়েছে বলে চাষীদের দাবি। ক্ষতিগ্রস্ চাষীরা আরো জানায় ধার দেনা, লোন করে চাষ করা হয়েছ, সরকার যদি আমাদের এই বিষয়ে না দেখে তাহলে আমাদের আরও সর্বনাশ হবে এবং অনাহারে মরতে হবে।
কারণ এই চাষের উপর আমাদের সংসার চলে বলে জানান চাষিরা।
এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ফরিদা বিবি বলেন এই গত দুই এক দিনের প্রচন্ড বৃষ্টিতে খড়ি নদীর জল ছাপিয়ে হঠাৎ বন্যা সৃষ্টি হয় বামুনপাড়া অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামের চাষীদের ধানের জমি ও সবজির জমি জলের তলায় চলে গিয়ে ফসল নষ্ট হয়ে চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে তিনি জানান কৃষি দপ্তরের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করেছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের কথা ভাবনা চিন্তা করে, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা যাতে ক্ষতিপূরণ পায় তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা কাউসার শেখ, সহ চাষিরা ও এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ফরিদা বিবি আমাদের কি জানালেন দেখুন।







