নববারাকপুর : লেনিনগড়ের ত্রাস, তোলাবাজি মারধর জলাশয় ভরাট সহ একাধিক অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেসের বিলকান্দা ২ আঞ্চলিক সভাপতি প্রভাবশালী দৌর্দন্ডপ্রতাপ বেতাজ বাতসা সজল দাসকে গ্রেফতার করে নিউ বারাকপুর থানার পুলিশ। বুধবার দুপুরে নিউ বারাকপুর থানা থেকে প্রিজন ভ্যানে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

সজল দাস ব্যারাকপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ ও ছিলেন। লেনিনগড় বিলকান্দা বহু অত্যাচারি বিজেপি সমর্থিত মানুষ থানার সামনে হাজির হয়। নিরাপত্তায় ব্যপক বিএসএফ জওয়ানরা উপস্থিত ছিল। সজল দাস কে লক্ষ করে চোর চোর শ্লোগান ও দেয়। যদিও ডিম বা টমেটো ছুড়তে পারে নি।
ক্ষোভে ফেটে পড়েন অত্যাচারি নন্দী বিশ্বাস। নন্দী বিশ্বাস বলেন ২০২৫ সালে সজল দাস আমার বাড়িতে দুষ্কৃতীদের সাথে নিয়ে গিয়ে আমার পরিবারের উপর হামলা চালায় মারধর করে। আমার চোখ নষ্ট করেছে। হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। কোন সুবিচার পাইনি। সজল দাস গ্রেপ্তার হয়েছে ভীষণ খুশি ও আনন্দিত ।এলাকায় বহু মানুষ কে মারধর করত। জমি বাড়ি লুটপাট করত। অবৈধ ভাবে জলাশয় ভরাট করে বাড়ি করেছে এলাকায়।
মাছে জল দিত যে সজল আজ প্রভাবশালী কয়েশ কোটির মালিক। তোলাবাজি ছাড়া ও মদ জুয়া সাট্টার কারবার রয়েছে সজল দাসের। দাবি অবিলম্বে সজল দাসের কঠোরতম শাস্তি চাই। সজল দাসের অন্যান্য শাকরেদ পল্টে পিঙ্কাই রাজু মিত্র দের গ্রেফতার করতে হবে।










