কলকাতা :-যেভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিধানসভা তৃণমূল চূড় চূড় করে ভেঙে গেছে, ঠিক সেভাবেই হয়তো এবার ভাঙতে চলেছে তৃণমূলের সংসদীয় টিম। ঋতব্রতকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানিয়ে স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দেওয়া হয়। তৈরি হয় ‘নব তৃণমূল মঞ্চ’। বিধানসভায় ভাঙনের পর এবার লোকসভায়ও তৃণমূলে ভাঙন হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। আর এর নেতৃত্বে রয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

বিধানসভা নির্বাচনে ফল ঘোষণার পর থেকে একাধিকবার সরব হয়েছেন বারাসতের সাংসদ। লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে তাঁকে সরানোর পর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন তিনি। তারপর একাধিকবার মুখ খুলেছেন। আর বিধানসভায় ‘ঋতব্রত মডেল’-র লোকসভায় তৃণমূলের অন্দরে এমন কোনও বিভাজন দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছে। লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ২৯টি আসনে জিতেছিল তৃণমূল। তবে লোকসভার ফল ঘোষণার কয়েক মাসের মধ্যে তৃণমূল সাংসদ শেখ হাজি নুরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। এই আসনে এখনও উপনির্বাচন হয়নি। ফলে এই মুহূর্তে তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ সংখ্যা ২৮। ফলে লোকসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ ‘বিক্ষুব্ধ’ হলে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না তৃণমূল। কাকলির সঙ্গে কে কে রয়েছেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। ৮ জুন (সোমবার) দিল্লিতে থাকবেন মমতা।
তাঁরই উপস্থিতিতে লোকসভায় তৃণমূলে ভাঙন হতে চলেছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। বিধানসভার পর লোকসভায়ও তৃণমূলের ভাঙনের সম্ভাবনা নিয়ে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেন, “আমি বারবার বলছিলাম, তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা থাকবেন। ভাইপো জেলে থাকবেন”।









