প্রসঙ্গত ভোল বদলু সুনীল মণ্ডল মঙ্গলবার বর্ধমানের সাংবাদিকদের মুখোমুখি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন । তিনি বলেন ,শুভেন্দু তাঁকে বিজেপিতে যোগদান করানোর আগে যা যা প্রতিজ্ঞা করেছিল তার একটাও মানেনি । একই সঙ্গে বলেন, তৃণমূল থেকে যারা বিজেপিতে গিয়েছে
তাঁদের কে বিজেপি নেতারা সহ্য করতে পারে না ।ভেটের প্রচারে প্রবাসী যেসব বিজেপি নেতারা বাংলায় এসেছিলেন তাঁদের রাজনৈতিক জ্ঞানও ছিলনা । ৩৫৬ ধারা নিয়ে যারা বেশি নাড়াচাড়া করতে চাইছেন সেটা ঠিক হচ্ছেনা। দুই তৃতীয়াংশ মানুষের বেশি সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। সেটাকে তিনি সম্মান জানাতে চান বলে সুনীল মণ্ডল মঙ্গলবার বলেন ।
এদিকে সুনীল মণ্ডল তৃণমূলে ফেরার জল্পনা তৈরি হতেই বর্ধমান পূর্ব লোকসভার বিভিন্ন ব্লকের তূণমুল নেতারা প্রতিবাদে স্বোচ্চার হয়েছেন।
জামালপুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন,“ সুনীল মণ্ডল নীতি আদর্শহীন রাজনীতিক ।বিজেপি গো- হারা হরেছে বলেই এখন সুনীল মণ্ডল বেসুরো হয়েছেন । কারণ উনি ক্ষমতা লোভী’ । জৌগ্রাম নিবাসী জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি মইনুর রহমান মিদ্দা বশেন ,ভোটের সময়ে সুনীল মণ্ডল জৌগ্রামে সভা করতে এসে তৃণমূল নেত্রীকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন ।তৃণমূল কংগ্রেস দলকে ’চোরেদের দল’ বলে আখ্যা দিয়ে ছিলেন । সেই কারণে জৌগ্রামের তৃণমূল কর্মীরা চান না ’বেহায়া ও গদ্দার’ দলবদলু রাজনীতিক সুনীল মণ্ডল ফের তৃণমূলে জায়গা পাক ।
তৃণমূলের রাজ্যের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন , “তৃণমূলের সকল কর্মী ও সমর্থকরা চাইছেন সুনীল মণ্ডলের সাংসদ পদ খারিজ হোক । দলও ওনার সাংসদ পদ খারিজের জন্যে লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন ।তৃণমূলের সবাই গদ্দার সুনীল কে ’লাল কার্ডও’ দেখিয়ে দিয়েছেন“ ।
পোস্টার পড়া নিয়ে সুনীল মণ্ডল যদিও এদিন বলেন , আমি কি মুখিয়ে আছি নাকি ? আমার পরিবার ভিখারি নয় । আত্মসন্মান বিসর্জন দিয়ে আমি কিছু কতে চাই না । আমার বিষয়ে স্পিকার যা ভাববেন করবেন । আমাকে যে এমপি থাকতেই হবে তার কোনও কি মানে আছে ?