আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

জাতীয় ভোটার দিবস ‘করুণ প্রহসন’, মানুষের ভোটাধিকার লুণ্ঠনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা অপার্থিব ইসলামের

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

ভারতের নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে জাতীয় ভোটার দিবস পালনের ঘটনাকে “একটি করুণ প্রহসন” বলে কটাক্ষ করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মহম্মদ অপার্থিব ইসলাম। রবিবার এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি অভিযোগ করেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার পরিবর্তে তা লুণ্ঠনে ব্যস্ত এবং “হিজ মাস্টার্স ভয়েস” হিসেবে বিজেপির স্বার্থে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটার দিবস উদযাপনকে তিনি ঔদ্ধত্যের প্রকাশ বলেও উল্লেখ করেন।

অপার্থিব ইসলাম বলেন, “মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন ও বিধি-নিয়ম মেনে মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। অথচ তারা তা না করে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি’-র নামে একের পর এক নতুন অজুহাত তৈরি করছে। এর ফলে সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করা হচ্ছে, ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, এমনকি ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে”।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বিজেপির হয়ে বিরোধীদের ধ্বংস করতে এবং ভারতীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিমূলে আঘাত করতেই এই পদক্ষেপ। যাদের এমন কাজ করার অভিযোগ রয়েছে, তারাই আবার জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন করছে—এতে আমরা তৃণমূল কংগ্রেস স্তম্ভিত, বিস্মিত ও বিচলিত”।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া ভাষায় অপার্থিব ইসলাম বলেন, “আপনাদের সিদ্ধান্ত ও কার্যকলাপ মানুষের ওপর অভূতপূর্ব অত্যাচার নামিয়ে এনেছে। আমাদের দাবি, এই বেআইনি চাপ ও নিগ্রহের ফলেই এখনও পর্যন্ত ১৩০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ৮৫, ৯০, ৯৫ বছরের বৃদ্ধ মানুষ থেকে শুরু করে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী নাগরিকদেরও হাজির হতে বাধ্য করা হচ্ছে—এই অধিকার কি আপনাদের আছে”?

তাঁর অভিযোগ, এই বেআইনি চাপের ফলেই আত্মহত্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে এবং তা করা হচ্ছে “রাজনৈতিক প্রভুদের নির্দেশ ও স্বার্থে”। অপার্থিব ইসলামের দাবি, নির্বাচন কমিশন কার্যত এই প্রক্রিয়াকে নাগরিকদের জন্য একপ্রকার এনআরসি-তে রূপান্তরিত করেছে, যার ফলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং তপশিলি জাতি ও জনজাতির মানুষেরা বিশেষভাবে পীড়িত হচ্ছেন। এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

See also  রামনগরে বজরঙ্গবলি মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি