Category: দক্ষিণবঙ্গ

  • অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের রায়নায়

    পূর্ব বর্ধমান:-অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের  রায়নায়।সোমবার দুপুরে বর্ধমান আরামবাগ রোডের জামুই মোড়ের কাছে ধান জমি থেকে দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জমির মধ্যে মাঝবয়সী ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।রায়না থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।মৃতের গলায় কাটা চিহ্ন আছে।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, জামুই গ্রামটি বর্ধমান আরামবাগ রোডের ধারে রায়না থানার  সেহারা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত  । স্থানীয় ফকিরপুর নিবাসী সুকদেব চক্রবর্তীর ধান জমি রয়েছে জামুই গ্রামে   বর্ধমান আরামবাগ রোডের ধারে । ওই জমি ও তার চারপাশের  সব জমি  এখন  ভর্তি রয়েছে  ধানগাছে । স্থানীয় রেজাউল চৌধুরী বলেন , ওই জমি থেকে এদিন বিশ্রী  দুর্গন্ধ ছড়াতে  শুরু করে । পরে স্থানীয়দের নজরে আসে জমির ভিতর উবুর করে  শোয়া অবস্থায় এক ব্যক্তির   মৃতদেহ পড়ে আছে । এমনটা দেখেই  এলাকাবাসী  খবর দেয় রায়না থানায় ।দ্রুত   ঘটনাস্থলে পৌছায় সেহারাবাজার ফাঁড়ি ও রায়না থানার পুলিশ । 

    মৃতদেহটি উদ্ধারের সময়ে  পুলিশ কর্তারা দেখেন  মৃত ব্যক্তির গলায়  ধারাল অস্ত্রের আঘাতের গভীর খত রয়েছে ।  এছাড়াও তাঁর দুই ভুরুর মাঝের অংশেও রয়েছে কোপানোর খত । পরনে প্যান্ট থাকলেও  টি- শার্ট ও একটি চশমা পড়েছিল  মৃতদেহের পাশে ।  মৃত ব্যক্তি  জামুই এলাকার নন বলে এলাকাবাসী পুলিশকে জানিয়েদেয় । মৃত ব্যক্তির শরীরে থাকা আঘাতের খত দেখে পুলিশ কর্তারা  এটি একটি খুনের ঘটনা বলেই মনে করছেন । পুলিশের প্রথমিক অনুমান , বুলবুলের প্রভাবে গত শুক্র ও শনিবার দিনভর  অবিরাম ঝোড় হাওয়া ও তারসঙ্গে বৃষ্টিপাত হয়ে চলেছিল ।

     দুস্কৃতিরা অন্য কোথাও এই ব্যক্তিকে খুনকরে রাতের অন্ধকারে ওই সময়ের ঝড় বৃষ্টির মধ্যে ধান জমির মধ্যে ফেলেদিয়ে পালিয়েছে বলে  মনেকরছেন পুলিশ ও গ্রামবাসীরা  । তদন্তে নেমে পুলিশ মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। একই  সঙ্গে পুলিশ খুনিদের হদিশ উদ্ধারে কাজ  শুরু করেছে । 

  • ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সুভাষ মন্ডল ভাতার বাজারে দলীয় ফ্লাগ টাঙ্গালেন আজ

    আমিরুল ইসলামের রিপোর্টপূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার ব্লকের বিধায়ক সুভাষ মন্ডল তার দলীয় লোকজনদের নিয়ে আজ ভাতার বাজারে দলীয় ফ্লাগ টাঙ্গালেন বিভিন্ন জায়গায়।

    ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সুভাষ মন্ডল বলেন, আমি কলেজ থেকে রাজনৈতিক এর  সঙ্গে যুক্ত। তখন থেকেই বিভিন্ন জায়গায় দলীয় ফ্লাগ টাঙ্গালেনোর কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। দলীয় কর্মীদের কে নিয়ে এধরনের কাজ করতে আমায় ভালো লাগে। আজ ভাতার বাজারে এই কাজ করছি।অপরদিকে দলীয় কর্মী বাবলু শেখ জানান, আমাদের বিধায়ক যেভাবে উৎসাহ দান করছেন, তাতে করে আগামী দিনে আমাদের দলের প্রতি ভালোবাসা আরো বাড়িয়ে দিলেন।

  • অগ্নিদগ্ধ মা ও দুই মেয়েকে বাঁচাতে বাড়ি বাড়ি অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করছেন গলসির হিন্দু ও মুসলিম মানুষজন

    প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান ১০ নভেম্বর

    র্ম হিন্দু হোক কিংবা মুসলিম , শেষ কথা মানবিকতা । আর সেই মানবিকতারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত প্রতিষ্ঠা করলেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির 
    খানো গ্রামের ডাঙাপাড়ার  আপামোর হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন ।  অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে এই গ্রামেরই দুই নাবালিকা  সুহানা ও বিলকিস  এবং  তাঁদের মা তুহিনা বেগম । অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে নাবালিকাদের বাবা শেখ  ইকবালের ।  এই অবস্থায়  অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে একজোট হয়েছেন গ্রামের হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সকল মানুষজন । সবার সপথ একটাই ,  বাড়ি বাড়ি ঘুরে অর্থ সংগ্রহ করে তার চিকিৎসা করাব বিলকিস , সুহানা ও তাঁদের  মা তুহিনা বগমের । মৃত্যুর মুখ থেকে তিনজনকে ফিরিয়ে আনতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে গ্রমবাসীরা  ।

     অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসা খরচ যোগাড় নিয়ে শনিবার  মিগ্রা মিটিং হয় ।উভয়  সম্প্রদারের মানুষজন সেই মিটিয়ে অংশ নেন ।  সেই মিটিংয়েই অর্থসাহায্য সংগ্রহ অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত হয় ।  রবিবার বাড়ি বাড়ি ঘুরে একদিনেই তাঁরা সংগ্রহ করেছেন ৩০ হাজার টাকা ।জানাগেছে ,টাকার অভাবে ইকবালের স্ত্রী ও  কন্যাদের চিকিৎসার যাতে কোন ত্রুটি না হয় তারজন্য গ্রমবাসীর  সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা পথে নেমেও অর্থ সংগ্রহ করবেন।  মুক্ত হস্তে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা ।  

    শেখ ইকবাল ও  তাঁর স্ত্রী এবং কন্যাদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারার  জন্য পাইপে করে ঘরে গ্যাস ঢুকিয়ে  আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল বাবা ও বড় দাদা । গুরুতর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাঁদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায় । সেখানে মৃত্যু হয় ইকবালের ।  চিকিৎসাধীন রয়েছে ইকবালের স্ত্রী ও দুই কণ্যা । নৃশংস এই ঘটনা  ঘটানোর দায়ে পুলিশ ইকবালের বাবা ও দাদাকে গ্রেফতার করেছে । 

    খানো ডাঙাপাড়ার বাসিন্দা মনোজ দত্ত, রসময় আঁকুড়ে, রিন্টু রায়,মহিলা সুজাতা সাম, সোমা রায় সহ কাজি সমিরুদ্দিন, শেখ সানোয়ার, ইউনুস মিঁয়া, ইমাম আলি সহ অসংখ্য মানুষ পথে নেমেছে অর্থ সংগ্রহে । মানবিক এই ব্যক্তিরা জানালেন  ঈশ্বর, আল্লাহর  কাছে আমরা প্রার্থনা করে চলেছি । আমাদের সকলের বিশ্বাস আছে আমারা বিলকিস , সুহানা ও তুহিনাকে সুস্থ করে ফিরিয়ে আনতে পারবোই ।

  • নবী দিবস উপলক্ষে শহর জুড়ে বের হয় শান্তি ও সম্প্রীতি জৌলুস

    পূর্ব বর্ধমান:- গোটা বিশ্বের পাশাপাশি বর্ধমান শহরের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা বিশ্ব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র জন্মদিন উপলক্ষে বর্ধমান শহর জুড়ে জৌলুস বের হয়। এই জৌলুস বর্ধমান শহর পরিক্রমা করেন,এবং শেষ হয় আলমগঞ্জ কারবালা ময়দানে।

    पैगम्बर मुहम्मद (स.) के जन्मदिन, मिलाद-उन-नब़ी के मुबारक मौके पर, मैं सभी देशवासियों, विशेष रूप से अपने मुस्लिम भाई-बहनों को शुभकामनाएं देता हूं।

    आइए, हम सब उनके जीवन से प्रेरणा लेकर आपसी भाईचारे और रहमदिली के साथ सभी की खुशहाली के लिए कार्य करें — राष्ट्रपति कोविन्द

    — President of India (@rashtrapatibhvn) November 10, 2019

    উল্লেখ নবীজির(হজরত মুহাম্মদ)জন্মদিন উপলক্ষে মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রত্যেকের বাড়িতে নবীজির নামে কলেমা ,ফাতেহা ,কোরআন, পাঠ ও নবীজির আদেশ অনুযায়ী এই মাসে এলাকায় এলাকায় মিলাদুন নবীর আয়োজন করে থাকেন ।এদিন জৌলুসের উদ্যক্তরা জানান ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হয়ে আজকের এই জৌলুস।

  • বুলবুলের প্রভাবে পূর্ব বর্ধমানে ধান ও আলু চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মাথায় হাত চাষীদের

    বহাওয়া দফতর বুলবুলের আগমন বার্তা দেবার পর ফসলের সর্বনাশ ঘটারআশঙ্কা তৈরি হয়েছিল রাজ্যের চাষীমহলের। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল । বুলবুলের প্রভাবে রাজ্যের শস্যগোলা বলে পরিচিত  পূর্ব বর্ধমান জেলায়  ক্ষতিগ্রস্ত  হল  পাকা ধান ও  রবি ফসলের চাষ । জলে ঢুবেছে  জমিতে কেটেরাখা পাকা ধানগাছ ও  শীতের সব্জি খেত ।  অনেক জায়গায়  আলু চাষের জমিও এখন জলের  তলায় ।জমিতে পোঁতা আলুবীজ নষ্ট হতে বসেছে । এই সবের কারণে মাথায় পড়েছে রাজ্যের শস্যগোলার চাষীদের । 

    বুলবুলের প্রভাবে শুক্রবার দুপুর থেকে  রাজ্যের অন্যান অংশের এই জেলাতও শুরু হয়েছিল বৃষ্টিপাত । শনিবার সারাদিন ও ভোররাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকে ঝোড়ো হাওয়া ও  বৃষ্টিপাত  । আর বিরামহীন  বৃষ্টিপাতের ফলে জমিতে জল জমেযায় । জেলা কৃষি দফতর সূত্রে জানাগেছে,  গতবছর ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮১৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছিল । ধান হয়েছিল ২০ লক্ষ টনেরও বেশী । এবছর জেলায় সমপরিমাণ জমিতে ধান চায় হয়েছে ।  তবে  একের পর এক অসময়ের বৃষ্টিপাতের কারণে ধান উৎপাদন  ব্যাহত হবে বলে মনেকরছে চাষীরা ।  যদিও জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা  জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ বুলবুলের প্রভাবে এই জেলায় যে পরিমান বৃষ্টিপাত হয়েছে তাতে  ধান চাষে ব্যাপক  ক্ষতি হবে, এমন আশঙ্কা তিনি এখনই করছেন না । তবে ভিজে মাঠে ধান গাছ কেটে রাখা যাবেনা । নতুন চাষের জন্য জমি তৈরির কাজও পিছিয়ে যাবে ।

    বুলবুলের প্রভাবে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক ভাবে বেশী হয়েছে বর্ধমান দক্ষিন মহকুমার রায়না , খণ্ডঘোষ, মেমারি ও  জামালপুর  ব্লকে । কালনা  ও কাটোয়া মহকুমার বেশকিছু অংশেও টানা বৃষ্টিপাত হয়েছে । তুলনামূলক ভাবে কম বৃষ্টিপাত হয়েছে ভাতার , আউশগ্রামও গলসিতে । কালনায় পিঁয়াজ চাষ ক্ষতির মুখে পড়েছে । দক্ষিন দামোদর এলাকার চাষী সচিন ঘোষ  ,  হরপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়  প্রমুখরা বলেন , খরিফ মরশুমের ধানে পাক রং ধরেছে।দু’একদিনের মধ্যেই  মাঠে ধান কাটার কাজ শুরু হত ।কিন্তু তার আগেই ঝড়ো হাওয়া ও দুদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে বেশীর ভাগ জমির ধানগাছ  জমিতে শুয়েগেছে । জামালপুরের চাষী ভক্তি দাস বলেন , এবছর খরিফ মরশুমে ধান রোয়ার সময় জমিতে জল ছিল না। সাবমার্সিবেল পাম্প দিয়ে জমিতে জলের জোগান দিতে হয়েছে । তার ফলে এবছর ধান চাষের  খরচ অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই  বেশী হয়েছে। তার উপর বুলবুলের দাপটে পাকা ধানে মই দেওয়া অবস্থা তৈরি হয়েছে । অনেক ধানের জমিতেই জল দাঁড়িয়ে রয়েছে । যে চাষীরা  ধান গাছ কেটে  জমিতে পেতে  রেখেছিলেন সেই ধান জলে ডুবেছে ।এরফলে উৎপাদন কমবে ধানের রঙ নষ্টও হয়ে যাবে।

    শুধু ধান চাষে ক্ষতি নয় ।  আলুচাষেও ক্ষতির মুখে পড়েছেন  জেলার শক্তিগড়, বড়শুল ও মেমারি এলাকার আলু চাষীরা । খব কমদিনে আলুর ফলন পাবার জন্য এই সব এলাকার চাষীরা মূলত পোকরাজ প্রজাতির আলুচাষ করেন । জমিতে আলু বীজও পুঁতে ফেলে ছিলেন এইসব এলাকার বেশীর ভাগ চাষী । 

    লুচাষী  দেবকুমার মালিক ,হাজিবুল সেখ প্রমুখরা বলেন ,বুলবুলের প্রভাবে হওয়া দুদিনের টানা বৃষ্টিতে  আলুর জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেছে। এরফলে সবটাই ক্ষতি হল । আবার নতুন করে জমি তৈরি করে আলুর বীজ পুঁততে হবে।হাজিবুল সেখ বলেন ,এবার চড়া দামে আলুবীজ কিনতে হবে । পোকরাজ আলুবীজ মিলবেকিনা তা নিয়েও সংশয় রয়েছে । নতুন করে জমি তৈরি ও বীজ পোঁতার জন্য ফের মোটা টাকা খরচ হবে ।

     এমনিতেই রাসায়নিক সার , কীটনাশকের দামের পাশাপাশি  ক্ষেতমজুরদের পারিশ্রমিকও বেড়েছে । সবমিলিয়ে নতুন করে আবার আলুচাষ করে লাভের মুখ কিছু দেখা যাবেকিনা  তা নিয়েই এখন দুশ্চিন্তায় জেলার আলু চাষীরা । সরকার কি ব্যবস্থা নেয় এখন সেদিকেই  তাকিয়ে শস্যগোলার চাষীরা । ছবি ধান জমি ও আলু জমি ।

     লুচাষীরা এখন ঘোর সংকটে। প্রথমতঃ আলুর বীজ কিনতে হবে চড়াদামে।দ্বিতীয়ত পোকরাজ প্রজাতির আলুর বীজ মিলবে না।সবনিয়ে আলুচাষীদের এখন মাথায় হাত।গত কয়েক বছরে রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও ডিজেলের দাম বাড়ায় আলু চাষের খরচও বেড়েছে সাংঘাতিক। আলুচাষীরা বলেন এবছর গড়ে আলুচাষে খরচ হয়েছে ১৪ হাজার টাকা করে প্রতি বিঘেতে।

  • অযোধ্যা মামলার রায়দানের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয় বর্ধমান স্টেশানে ।

    প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান  ৯ নভেম্বর 

    যোধ্যা মামলার  রায় ঘোষনার প্রাক্কালে শনিবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয় বর্ধমান স্টেশনে।শুক্রবার বিকালে রেল ওভারব্রিজে যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে ১১ জনের পদপিষ্ট হবার ঘটনার ও এদিন  ছিল অযোধ্যা মামলার রায়দান।এই সবকিছুকে  সামনে রেখে  এদিন বর্ধমান স্টেশানের প্রতিটি পয়েন্টে মোতায়েন রাখা ছিল নিরাপত্তা বাহিনী । স্টেশান চত্ত্বরে আরপিএ ও জিআরপির বিশেষ বাহিনীর তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা বা দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া  হয়েছে  বলে স্টেশান কর্তৃপক্ষের কথায় জানাগেছে।এদিন রেল ওভারব্রিজে যাত্রী হুড়োহুড়ি আটকাতেও রেল পুলিশের কর্তাদের অতি সক্রীয় ভূমিকায় দেখা যায়। 


  • বর্ধমান রেল স্টেশনে ফুট ব্রিজে ওঠা নামার সময় হুড়োহুড়িতে পড়ে গিয়ে আহত বহু

    ট্রেন ধরার জন্য নামবার এবং ট্রেন থেকে নেমে ফুট ব্রিজে ওঠবার সময় ব্যাপক হুড়োহুড়ির মধ্যে পদপিষ্ট হলেন এক ব্যক্তি। পাশাপাশি টাল সামলাতে না পেরে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে কম বেশি প্রায় 11 জন আহত হলেন। শুত্রুবার বিকেলে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান রেল স্টেশনের চার ও পাঁচ নং প্লাটফর্মের ফুট ব্রিজে ওঠার সিঁড়িতে। জিআরপি এবং আরপিএফ  আহতদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। এই ঘটনায় স্টেশনের যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    উল্লেখ্য, কয়েকমাস আগে বর্ধমান স্টেশনের ফুটব্রিজ গুলির ওপর চাপ কমাতে যন্ত্রচালিত সিঁড়ি (এক্সকেলেটার) বসানো হয়। কিন্তু চালু হওয়ার কিছুদিন পরই সেটি বিকল হয়ে পড়ে। জানা গেছে, এখনও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলমান এই সিঁড়ি বন্ধই পরে আছে। চলছে মেরামতির কাজ। স্বাভাবিকভাবেই একসঙ্গে দু তিনটে ট্রেন প্লাটফর্মে চলে এলে বা ট্রেন ছাড়ার সময় হয়ে গেলে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে ফুটব্রিজ গুলি দিয়ে ওঠা নামা করতে শুরু করেন। আর এতেই প্রায়ই ঘটছে বিপত্তি বলে এদিন বহু যাত্রী অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর খবর পেয়ে আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে দেখতে যান স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট স্বপন অধিকারী।

  • দীঘাতে শুরু ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি। উত্তাল সমুদ্র। ধেয়ে আসছে বুলবুল।

    কাল থেকে ঘন কুয়াশা অন্ধকারে ঢাকা সৈকত শহর দীঘা। বঙ্গোপসাগরের উপরে গভীর নিম্নচাপের ফলে বুলবুল নামক এক ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে। যা আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দীঘার উপর দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার কথা রয়েছে। শুনশান দীঘা। পুলিশ প্রশাসনের মাইকিং প্রচার করছে। মৎস্যজীবীদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং সতর্কতা জারি করেছে মৎস্যজীবীদের উপর। পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ মেনে দীঘা থেকে পর্যটকেরা বাড়ি ফিরছে। এবং দীঘা উপকূল এলাকায় বাড়ি এবং দীঘা উপকূল এলাকায় বসবাসকারী সকলকে সর্তকতা জারি করেছে।

    ত্রাণশিবিরে ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে ত্রাণশিবিরে আনা হবে উপকূল এলাকার বাসিন্দাদের। দীঘা এলাকা জুড়ে চলছে মাইক প্রচার। পর্যাপ্ত নিরাপত্তায় রক্ষী মোতায়েন করেছে দীঘাতে। সবদিক থেকে প্রশাসন  তৎপরতার সাথে বুলবুল মোকাবেলায় প্রস্তুত।দীঘায় ঢুকলো NDRF টিম। বুলবুল ঘূর্ণিঝড়েরের জন্য সব রকম পরিস্থিতিতে মোকাবেলার জন্য তৈরি জেলা প্রশাসন। খোলা হল কন্ট্রোল রুম। বিশেষ নজরদারি রাখছে নবান্ন।

  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মেমারি ১ ব্লক প্রাণী সম্পদ ও বিকাশ দপ্তরের উদ্যোগে ছাগল তুলে দেওয়া হল

    সেখ সামসুদ্দিনঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মেমারি ১ ব্লক প্রাণী সম্পদ ও বিকাশ দপ্তরের উদ্যোগে ৬১ জন বেনিফিসিয়ারির হাতে পাঁচটি করে ছাগল তুলে দেওয়া হয়। তার আগে ওপেন মঞ্চে ও অডিটোরিয়াম হলে দুই দফায় ছাগল পালন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সঙ্গে দেওয়া হয় কৃমির ওষধ, রোগ প্রতিশেধক টীকা, দ্রুত গ্রোথের জন্য ওষুধ ও ছাগলের খাদ্য দেওয়া হয়। এছাড়াও বীমাকরণও করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও বিপুল কুমার মন্ডল, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বসন্ত রুইদাস, সহ সভাপতি সেখ মোয়াজ্জেম, প্রাণী সম্পদ ও মৎস দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ রেনুকা মহন্ত, ব্লকের  প্রাণী চিকিৎসক, বিএলডিও  ডাঃ মনোতোষ মন্ডল সহ বিভাগীয় কর্মী ও প্রাণীমিত্রাবৃন্দ। আজ প্রথম দফার সমস্ত ডোজ দিয়ে দেওয়া হয় ও আগামী ৩ মাসের জন্য ওষুধ দিয়ে দেওয়া হয়। এবং কড়া নজরদারি চলবে বলবে সতর্ক করেন বিএলডিও।

  • শিশুদের মুখ চেয়ে রাস্তার দাবী কলুপুকুর শিশু শিক্ষা কেন্দ্র

    সেখ সামসুদ্দিনঃ গ্রামের মাঠের মাঝে আছে স্কুল নেই  রাস্তা। মেমারি ১ ব্লকের দলুইবাজার ২ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ‘কলুপুকুর শিশু শিক্ষা কেন্দ্র’ ২০০০ সালে চালু হয়। মূলত চূয়াডাঙ্গা ও কলুপুকুরের আদিবাসী ও তপশিলী আদিবাসী শিশুদের বুনিয়াদি শিক্ষার ভিত মজবুত করার উদ্দেশ্যে । স্থানীয় এক সহৃদয় ব্যক্তির দান করা জমিতে তৈরী হয় শিশুশিক্ষা কেন্দ্র। তিন জন শিক্ষক ও চুয়াল্লিশ জন শিশু নিয়ে নিয়মিত পঠনপাঠন চলে। কিন্তু ১৯ বছর পরেও স্কুলে পৌঁছনোর কোনো রাস্তা হয়নি বা তৈরির জন্য প্রশাসনিক কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি বলেই ক্ষোভ স্থানীয়দের । ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা এই স্কুলে যাচ্ছে ৩৫০মিটার পথ মাঠের মাঝ দিয়ে থাকা জমির সরু আল এর উপর দিয়ে পেরিয়ে, আলে থাকা জঙ্গলের মধ‍্য দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিত্যদিন স্কুলে পাঠাতে ভয় হয় অভিভাবকদের। কিন্তু কোনো উপায় না থাকায়  কিছু করারও থাকেনা বলেই জানান তারা। বর্ষায় অবস্থা আরো খারাপ হয় ; শিশুদের মুখ চেয়ে জমির আলের উপর ঢালাই দিয়ে বা নূন্যতম ভাবে মোরাম দিয়ে স্কুল থেকে মূল রাস্তা অবধি তৈরী হোক রাস্তা, দাবি তুলছেন স্থানীয় মানুষ।