শহর বড় হয়েছে, জনসংখ্যা বেড়েছে, সঙ্গে বেড়েছে পোষ্য প্রাণীর সংখ্যাও। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখে পোষ্য ও পথপ্রাণীদের জন্য পৃথক সমাধিস্থল গড়ে তোলার উদ্যোগ নিল বর্ধমান পৌরসভা। চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে এই সংক্রান্ত একটি নতুন প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পৌরপিতা পরেশ চন্দ্র সরকার।
পৌরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে বর্ধমান শহরে প্রায় পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষের বসবাস। শহরের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বাড়ির পোষ্য কুকুর-বিড়াল ও অন্যান্য প্রাণীর সংখ্যা। এতদিন পোষ্য প্রাণীর মৃত্যুর পর সেগুলিকে সমাধিস্থ করার নির্দিষ্ট কোনও সরকারি জায়গা ছিল না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যার মুখে পড়তে হতো পরিবারগুলিকে।
এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নির্দিষ্ট জমিতে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত সমাধিস্থল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে পৌরসভা। সেখানে পোষ্য প্রাণীর মরদেহ যথাযথভাবে সমাধিস্থ করার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
পৌরপিতা জানান, দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দুর্গাপুজোর আগেই এই পরিষেবা চালু করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। শহরের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি মেটাতেই এই উদ্যোগ বলে দাবি পুর কর্তৃপক্ষের।
পশুপ্রেমী মহলের একাংশ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, শহুরে জীবনে পোষ্যরা পরিবারের সদস্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের জন্য পৃথক ও সম্মানজনক সমাধিস্থলের ব্যবস্থা হওয়া সময়ের দাবি ছিল।









