প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ( বর্ধমান ) :- মারণ ভাইরাস করোনা সতর্কতায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ আগেই দিয়েছিল রাজ্য সরকার।সোমবার ফের ঘোষনা করা হয় ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।পূর্বের নির্দেশ মেনে এদিন পূর্ব বর্ধমানের সমস্ত স্কুল,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকে । কিন্তু নির্দেশ না মেলায় এদিন দিব্যি চালু থাকে জামালপুর সহ জেলার অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রগুলি।এদিন সকালেই খুদে পড়ুয়া সহ দিদিমনিরা হাজির হয়েযান সেন্টারে।খুদে পড়ুয়াদের পড়ানো ও সেন্টারে খাবার রান্না করে খাওয়ানো সবই চললো নিয়ম মেনেই ।এই ঘটনা নিয়ে উদবেগ বেড়েছে পড়ুয়াদের অবিভাবকদের । অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দের দিদিমনিরা জানিয়েছেন
,অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হবে না খোলা রেখে কাজ চালিয়ে যেতে হবে এমন কোন নির্দেশিকা এখনও তারা হাতে পান নি । কি করবেন সেই বিষয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েগেছেন। জামালপুরের বকুলতলার অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রের দিদিমনি অভয়া অধিকারী এদিন জানান ,প্রশাসনের কর্তারা কি সিদ্ধান্তের কথা জানান এখন সেদিকেই তারা সকল দিদিমনিরা তাকিয়ে রয়েছেন ।
কোরানা ভাইরাস আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব ।মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এদিনই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে আউশগ্রামের এক বাসিন্দাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে । করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ভাতারের নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন । সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে রাজ্য সরকারের নির্দেশে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ,এস এসকে , এম এসকে এমনকি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।কিন্তু অঙ্গনওয়াড়ী বিষয়ে সুষ্পষ্ট কোন নির্দেশিকা না থাকায় বাধ্য হয়েই সেন্টার চালাচ্ছেন দিদিমনিরা । অন্যদিকে রাজ্য সরকারের নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জামালপুরে কয়েকটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলেও ছুটি ঘোষণা করেনি । এদিন সেইসব স্কুলে পঠন পাঠন জারি রাখা হয় । এমনই একটি বেসরকারী স্কুলের শিক্ষক সৈয়দ আবুল ইসলাম এদিন বলেন অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করার পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন স্কুল খোলা রাখা হবে না বন্ধ করে দেওয়া হবে।
যদিও এদিন বিকালে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরেই জামালপুর ব্লকের বিডি শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েদেন অঙ্গনওয়ড়ী সহ সরকারী বেসরকারী সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হয়ে । বাচ্চাদের খাবার বাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে । অন্যথা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।













