আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

ভূতে পাওয়া পড়ুয়ার হয়ে হস্টেল ছেড়ে পালালো ৬০০ পড়ুয়া

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

এই যুগেও ভূত-প্রেতে বিশ্বাস করে এমন ঘটনা ঘটে, তা জানলে আশ্চর্য হতে হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) অমরাবতী জেলার একটি সরকারি আদিবাসী আবাসিক স্কুল। কেউ হঠাৎ হেসে উঠছে। কেউ গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদছে। কেউ আবার কোনও কারণ ছাড়াই ছটফট করছে। সহপাঠীদের এমন আচরণ দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত পড়ুয়ারা। হলটা কী! পড়াশোনা, খেলাধূলা নিয়ে যারা মেতেছিল কয়েকদিন আগেও, তাদের এমন পালটে যাওয়া আচরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অভিভাবকদের মধ্যেও। ভয়েই একে একে স্কুলের হস্টেল ছাড়তে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা।

হস্টেল ফাঁকা করে বাড়ি চলে গিয়েছে প্রায় ৬০০ পড়ুয়া। গত ২২ জুলাই ঘটনার সূত্রপাত। জানা যায়, চারজন ছাত্রী আচমকাই অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে। কেউ হাসছে, কেউ আবার কাঁদছে! কারো কারো লাগামছাড়া হাসি আর বাঁধ ভাঙা কান্না দেখে চমকে যান অনেকেই।

কেউ আবার ভয়ে গুটিয়ে যাচ্ছে, কারও কারও মাথা কাজ করছে না। এর মধ্যেই আবার হস্টেলের কয়েকজন ছাত্রী দাবি করে, তারা রাতে নূপুরের ছনছন শব্দ শুনতে পেয়েছে। এরপরই ভূতে ধরার গুজব ছড়াতে শুরু করে। আতঙ্কে ৬০০ ছাত্রছাত্রী কয়েক দিনের মধ্যে হস্টেল ছেড়ে নিজেদের বাড়িতে চলে যায়। একের পর এক তথ্য সামনে আসতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে মুখে। স্কুল চত্বরে একটি মহুয়া গাছ ছিল। তাতে নাকি আত্মার বাস ছিল বলে গুজব রয়েছে। কারো কারো কথায়, গাছটি কেটে ফেলার পর সেই আত্মাই নাকি পড়ুয়াদের উপর ভর করেছে!

আবার কেউ বলছেন, স্কুলের পিছনে থাকা একটি মন্দিরের জায়গায় স্কুলের নিকাশি নালা চলে যাওয়ায় দেবতা অসন্তুষ্ট হয়েছেন। আবার অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, স্কুলের কাছে থাকা একটি মাঠে এক আদিবাসী যুবকের মৃত্যু হয়েছে সম্প্রতি, যার সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে এই দাবিগুলির কোনোটারই প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

See also  চার মাসেই রাজ্যজুড়ে কন্যাশ্রী প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রার ৯০শতাংশ পূরণ

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি