আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়ন শিপে সোনা জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন ভাঙ্গড়ের কৃষক পরিবারের মেয়ে তহুরা খাতুন

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,ভাঙড় : খেলার জগতে আবার দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন ভাঙড়ের সংখ্যালঘু পরিবারের এক মেয়ে। এশিয়ান আ্যথলেটিক্স চ্যাম্পিয়ন শিপে সোনা জিতে বাড়ি ফিরলেন ভাঙড়ের মেয়ে। কৃষক পরিবারের মেয়ে তহুরা খাতুন হংকংয়ে আয়োজিত ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন।

সেখানেই আসে তার এই অভাবনীয় সাফল্য। গ্রামের মাঠে-ঘাটে দৌড়ে বেড়ানো দস্যি মেয়েটাই আজ আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।উজ্জ্বল করেছে জেলা ও ভাঙড়ের নাম। হংকংয়ে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে মহিলাদের ৪×৪০০ মিটার রিলেতে সোনা জিতেছেন ভাঙড়ের ফুলবাড়ি গ্রামের মেয়ে তহুরা খাতুন।শুধু সোনাই নয়, ভারতীয় দল নতুন মিট রেকর্ডও গড়েছে।হংকংয়ের ইয়ুথ স্পোর্টস গ্রাউন্ডে ভূমিকা নেহাতে, শৈখুর বাওয়া ও নীরক পাঠকের সঙ্গে রিলে রেসে অংশ নেন তহুরা।

৩ মিনিট ৩৮.০৭ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে সোনা জয়ের পাশাপাশি নতুন রেকর্ড গড়েছে ভারতীয় দল।এক সাধারণ সংখ্যালঘু কৃষক পরিবারের মেয়ে তহুরা। বাবা তোয়েব আলী মীর অন্যের জমিতে চাষ করেন, মা আনোয়ারা বিবি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী।আর্থিক অনটন নিত্যসঙ্গী। কিন্তু সেই অভাব কখনও থামাতে পারেনি তার স্বপ্নের দৌড়কে। স্থানীয় শিক্ষক ও প্রশিক্ষক বাগবুল ইসলামের প্রশিক্ষণে শুরু হয় তার ক্রীড়া জীবনের পথচলা।

২০১৯ সালে জাতীয় স্তরে প্রথম পদক, ২০২১ সালে জাতীয় জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা, ধাপে ধাপে এগিয়ে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের হয়ে সোনা জয়।বর্তমানে সল্টলেকের সাই হস্টেল থেকে অনুশীলনের পাশাপাশি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স নিয়ে পড়াশোনা করছেন তহুরা।সোনা জয় করে ভাঙড়ে ফিরতেইতাঁকে সংবর্ধনা জানাতে রাস্তায় ভিড় জমায় গ্রামবাসীরা।খোলা গাড়িতে করে গ্রামের মেয়ে ফিরতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সকলেই।ভাঙড়ের মানুষ জানান, তহুরা প্রমাণ করে দিল, স্বপ্ন বড় হলে অভাব কোনও বাধা নয়।আর তহুরা চায় এই ভাবে দেশের নামকে উজ্জ্বল করতে।আর তার পরিবার চায় মেয়ের এই সাফল্যের পাশে থাকতে।

See also  শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, তবুও রোহিত–বিরাটকে বাইরে রাখল বিসিসিআই

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি