আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

‘ ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে ববিরাগত নয়, আমরা পোস্টাল ব্যালট আলাদা করছিলাম ‘ -জানালেন স্মিতা পান্ডে

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে নাটকের পর নাটক হয়ে চলেছে। ওই স্ট্রং রুমে অনেক বাইরের লোক ঢুকেছে – এই অভিযোগে অবস্থান শুরু করেছিলেন। ব্যাপক উত্তেজনা ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে। প্রার্থীদের মধ্যে বচসা থেকে কর্মীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা, সবই চলল পুরোদমে। এরইমধ্যে এবার সাংবাদিক বৈঠকে বসল কমিশন। সাংবাদিক বৈঠকে খোদ সিইও মনোজ আগরওয়াল। সঙ্গে ডিইও নর্থ স্মিতা পাণ্ডে। কমিশনের সাফ কথা, যে সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চাপানউতোর চলছে তা সর্বৈব মিথ্যে। গোটা বিষয়ের বিশদ ব্যাখ্যাও দিতে দেখা যায় ডিইও নর্থ স্মিতা পাণ্ডেকে।

 

বলেন, “ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সাতটা বিধানসভার স্ট্রংরুম রয়েছে। সমস্ত প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে কালকেই সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ করে স্ট্রংরুম সিল করা হয়েছে সম্পূর্ণভাবে। সেই ছবি বাইরে থেকে দেখাও যাচ্ছে। আজকে আমাদের পোস্টাল ব্যালটের প্রথাগত বিধি মেনেই কাজ হচ্ছিল।”

 

 

 

এরপরই ঘটনার সময়ের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “পোস্টাল ব্যালট ছিল অন্য ঘরে। পোস্টাল ব্যালটের স্ট্রং রুম ছিল। বিধানসভা ধরে ধরে পোস্টাল ব্যালট আলাদা করার কাজ চলছিল। অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসাররা সেই কাজ করছিলেন। নিয়ম অনুযায়ীই সব কাজ হচ্ছিল। আমরা সব রাজনৈতিক দলকে মেল করেছিলাম। সকাল ১০টায় মেল করা হয়েছে জেলা থেকে। সব প্রার্থী ও এজেন্টদের জানানো হয়েছে। না জানানোর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

 

 

একইসঙ্গে প্রার্থীরাও যে সেখানে ছিলেন, সবটাই দেখেছিলেন তাও বারবার জোর দিয়ে বলেন স্মিতা। শশী-কুণালদের নাম করে বলেন, “শশী পাঁজা, কুণাল ঘোষও ছিলেন। সন্তোষ পাঠকের এজেন্ট এসেছিলেন। আমি নিজে ওনাদের নিয়ে গিয়ে দেখিয়েছি যে সব ঠিক আছে। সেটাও রেকর্ড করা হয়েছে।”

See also  আগামীকাল পূর্ব বর্ধমানে সাংবাদিক সহ পরিবহনকর্মী, হকারদের টিকাকরণ

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি