ভোটের মুখে বড়সড় নিরাপত্তা পেলেন Humayun Kabir। জনতা উন্নয়ন পার্টির (জেইউপি) সুপ্রিমোকে ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে Ministry of Home Affairs। জানা গিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরই কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত।
⚖️ হাইকোর্টের নির্দেশের পরই পদক্ষেপ
নিরাপত্তার দাবিতে জানুয়ারি মাসে Calcutta High Court-এর দ্বারস্থ হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। শুনানির সময় প্রশ্ন ওঠে— যদি Naushad Siddiqui কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান, তবে হুমায়ুন কবীর কেন পাবেন না?
হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আবেদন জানাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই আবেদন করেন জেইউপি সুপ্রিমো। এরপরই তাঁকে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র।
🚨 খুনের হুমকির অভিযোগ
তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর নতুন দল গঠন করেন হুমায়ুন কবীর। তারপর থেকেই তিনি দাবি করে আসছেন, তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে। এমনকী, খুনের হুমকি পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।
তাঁর আরও গুরুতর অভিযোগ— বেলডাঙা থানার আইসি নাকি তাঁকে খুনের ‘সুপারি’ দিয়েছেন। বাইরে বেরোলেই হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
🛡️ কী এই ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা?
দেশে নিরাপত্তার বিভিন্ন স্তর রয়েছে— এক্স, ওয়াই, জেড, জেড প্লাস ইত্যাদি। ‘ওয়াই প্লাস’ ক্যাটাগরিতে মোট ১১ জন নিরাপত্তারক্ষী থাকেন। সাধারণত ২ থেকে ৪ জন বিশেষ প্রশিক্ষিত কমান্ডো ব্যক্তিগত সুরক্ষায় নিযুক্ত থাকেন। বিশিষ্ট ব্যক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়ে থাকে।
ভোটের আগে রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেই প্রেক্ষিতেই হুমায়ুন কবীরের এই নিরাপত্তা প্রাপ্তি রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
🔎 রাজনৈতিক মহলে জল্পনা
নতুন দল গঠন করে সক্রিয় রাজনীতিতে নামার পর থেকেই বিতর্ক ও অভিযোগে ঘেরা হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
এখন দেখার, এই নিরাপত্তা ইস্যু আগামী নির্বাচনী লড়াইয়ে কতটা প্রভাব ফেলে।








