আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

হ্যাম রেডিওর তৎপরতায় গঙ্গাসাগরে হারিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এক শিশুকে তার মার হাতে তুলে দেওয়া হল

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, গঙ্গাসাগর: গঙ্গাসাগর মেলায় হারিয়ে যাওয়া মানুষদের ফিরিয়ে দিতে কাজ করে চলেছে হ্যাম রেডিও।এবারে গঙ্গাসাগর মেলার ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের এক শিশুকে উদ্ধারের পর তার পরিচয় দ্রুত শনাক্ত করে ফেরানোর উদ্যোগ নিলো হ্যাম রেডিও। যার ফলে গঙ্গাসাগর মেলায় তাদের সাফল্য আরও একবার প্রমাণিত হল।জানা যায়, কাকদ্বীপের লট এইট পয়েন্ট থেকে প্রায় আড়াই বছরের একটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তবে তখনও তার বাবা-মায়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

খবর পাওয়া মাত্রই শিশুটির পরিচয় উদ্ধারের কাজ শুরু হয় এবং বিষয়টি জানানো হয় মেলা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আধিকারিকদের।এর মধ্যেই এক যুবতী শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে দাবি করে সামনে আসে। ওই যুবতীর নাম মেঘনা দাস।কিন্তু শিশুটি তার কাছে যেতে না চাইলে সন্দেহ আর ও ঘনীভূত হয়।বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো হয় এবং পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পুরো ঘটনার উপর নজর রাখতে শুরু করেন।

তদন্তে জানা যায়, ওই মহিলা বাংলাদেশের দক্ষিণ হাতিয়া এলাকা থেকে লোকের মাধ্যমে সাগরে এসেছিলেন। ভিড়ের মধ্যেই শিশুটি তার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।এদিকে শিশুটি ও মায়ের প্রতি বিরক্ত হয়ে ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায়। ঘটনার চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ওই মহিলা।তবে সব দিক খতিয়ে দেখে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর লট এইট পয়েন্টে কর্মরত হ্যাম রেডিও অপারেটর দেবদত্ত মুখার্জি মা ও শিশুকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে পুলিশ আরও যাচাই করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করে এবং কী ভাবে নিরাপদে তাদের ফেরানো যায় সেই বিষয়ে কাজ শুরু করে।হ্যাম রেডিওর দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগের ফলেই শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

আর হ্যাম রেডিওর মাধ্যমে গঙ্গাসাগর মেলার ভিড় থেকে বাংলাদেশের এক শিশুকে সম্ভাব্য বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করা গেল। এখন প্রশাসনের লক্ষ্য, মা ও শিশুকে নিরাপদে তাদের গন্তব্যে ফিরিয়ে দেওয়া।আর এই ধরনের কাজ সারা বছর করে চলেছে হ্যাম রেডিও।

See also  এক শিশুর জন্মদিন উপলক্ষে রক্তদান শিবিরের আয়োজন

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি