স্কুলছাত্রীদের সুরক্ষার প্রশ্নে ফের উদ্বেগজনক ছবি সামনে এল কালনায়। শনিবার কালনা মহিষমর্দিনী গার্লস ইনস্টিটিউশন স্কুলের সামনে প্রকাশ্যে স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের উদ্দেশে টোন-টিটকারি ও অশালীন মন্তব্য করছিল এক যুবক। এই ন্যাক্কারজনক আচরণের প্রতিবাদ করায় ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হলেন এক স্থানীয় যুবক।
আহত যুবকের নাম সুরাজ কুমার সাহা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এদিন সকালে স্কুলের মেয়েরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করার সময় অভিযুক্ত বাপি রায় ওরফে ‘দস্যু’ তাদের উদ্দেশে টোন-টিটকারি ও নানা ভাবে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। বিষয়টি দেখে স্থানীয় যুবক সুরাজ সাহা অভিযুক্তকে বাধা দেন এবং এলাকায় এমন আচরণ না করতে কড়া ভাষায় সতর্ক করেন।
এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত যুবক বাড়িতে গিয়ে একটি ছোট কুরুল (ধারালো অস্ত্র) নিয়ে ফিরে এসে প্রকাশ্যে সুরাজের উপর এলোপাতাড়ি কোপ চালায়। সুরাজকে বাঁচাতে এগিয়ে এসে জখম হন তাঁর কাকা পিন্টু সাহা। রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জনকেই উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তাঁরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পরই অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে আহতদের বয়ান রেকর্ড করে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্কুলের সামনে প্রকাশ্যে ইভটিজিং ও তার প্রতিবাদে এমন হিংস্র হামলার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়? সমাজে নারীদের সুরক্ষা ও প্রতিবাদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবিতে সরব এলাকাবাসী।








