বর্তমান প্রজন্মের সেরা পেসারদের মধ্যে জশপ্রীত বুমরাহ শীর্ষে। টেস্ট ক্রিকেটে এক নম্বর বোলার হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। তবে তাঁর খুব কাছাকাছি চলে এসেছেন প্যাট কামিন্স। রেটিং পয়েন্টের ব্যবধানও এখন খুবই কম। অন্যদিকে, প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম তিনে উঠে এসেছেন তিলক বর্মা।
এই মুহূর্তে বুমরাহর রেটিং পয়েন্ট ৮৭৯। তাঁর ঠিক পরেই কামিন্স, যার পয়েন্ট ৮৪৯ অর্থাৎ মাত্র ৩০ পয়েন্টের ব্যবধান। অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম দু’টি টেস্ট খেলতে না পারলেও তৃতীয় টেস্টে ফিরেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কামিন্স। ওই ম্যাচে ১১৭ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ৮২ রানে জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। এর ফলেই বুমরাহর পরেই তাঁর স্থান। ৮৪৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের নোমান আলি।
ওয়ানডে বোলিং তালিকায় শীর্ষে আছেন রশিদ খান। তাঁর পরেই জোফরা আর্চার ও কুলদীপ যাদব। টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় সবার ওপরে বরুণ চক্রবর্তী। সম্প্রতি আইসিসির টি-টোয়েন্টি ক্রমতালিকায় সর্বোচ্চ রেটিং পয়েন্ট (৮০৪) ছুঁয়ে নজির গড়েছেন তিনি।
ওয়ানডে ব্যাটারদের তালিকায় প্রথম দুই স্থানে রয়েছেন রো-কো জুটি। পাঁচ নম্বরে শুভমান গিল, দশে শ্রেয়স আইয়ার। টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ১০ ধাপ উন্নতি করে বুমরাহ উঠে এসেছেন ১৮ নম্বরে, একই পয়েন্টে রয়েছেন মাহিশ থিকশানাও। তবে সবচেয়ে বড় উত্থান তিলক বর্মার—এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন তিন নম্বরে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনিই।
টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষে জো রুট, দ্বিতীয় স্থানে কেন উইলিয়ামসন। চার ধাপ উন্নতি করে সতীর্থ স্টিভ স্মিথের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন ট্রেভিস হেড। অ্যাডিলেড টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরির সুবাদেই এই লাফ। প্রথম দশে একমাত্র ভারতীয় ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়াল অষ্টম স্থানে তিনি। ১১ নম্বরে রয়েছেন শুভমান গিল।












