এসআইআর- এখন দেশের আতঙ্ক। বাংলায় ভোটের আগে চক্রান্তের জাল বুনতে এসআই-এর শুরু হয়েছে। আগেও আর বর্তমানেও আত্মহত্যা এবং মৃত্যুর ঘটনাই চলেছে। শুধু বাংলা নয়, গুজরাট, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশেও এসআই-এর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বা ঘটছে। এসআইআর বিজেপির এমন একটা চক্রান্ত – যেটা দেশের কাছে মৃত্যুর প্রতীক বলে দাবি তৃণমূল জেলা পরিষদ অধ্যক্ষের। সেই কারণেই এসআইআর -কে রাজনৈতিক গণহত্যা বলে দাবি করলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ অপার্থিব ইসলাম।
মোহাম্মদ অপার্থিব ইসলাম বলেন, SIR হল মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার হাতিয়ার। মানুষ যাতে কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে না পারে, সেটাই মূল উদ্দেশ্য”।মানুষ সরকারকে নির্বাচিত করে। আর এখানে হচ্ছে ঠিক উল্টোটা! সরকার মানুষকে নির্ধারিত করছে। সংবিধানের কাঠামোকে ভেঙে ছাড়- খাড় করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের বেঁচে থাকার ভোটাধিকার লঙ্ঘনের কেন ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তার জবাব কমিশন দেবে। ভারত সরকারকেও দিতে হবে বলে দাবি, পূর্ব বর্ধমান তৃণমূল জেলা পরিষদ অধ্যক্ষের।
অপার্থিব ইসলাম বলেন,আগে ছিল ভোটারের বৈধতা নিয়ে ভয় দেখানো। এখন সেই নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার করছে ভারত সরকার, যাতে সেটা মানুষের মধ্যে চালিয়ে দেওয়া যায়। রাজ্যের বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষক উদাহরণ দিয়ে বলছেন, উত্তরপ্রদেশের ২৫ হাজারের বেশি মানুষ রেখেছেন, যাদের বাবা-মায়ের ঠিকমতো পরিচয় নেই। আরও ঘুরে বেড়াচ্ছে বেওয়ারিশ, কমিশন দেখতে পাচ্ছে না! ভোট কমিশনার আসলে উদাসীন। তারা কাগজে হাওয়া কাজ করছে।








